
গত সপ্তাহে তুরস্ক, সাইপ্রাস এবং আজারবাইজানে ইরানি ড্রোন হামলার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সেই অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাঘেই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরানের ভূখণ্ড থেকে এই দেশগুলোর ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ চালানো হয়নি।
বাঘেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, হামলাগুলো পরিকল্পিতভাবে সাজানো হতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার সতর্ক করেছি যে, শত্রুপক্ষ আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর দূরত্ব তৈরি করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু হামলা সাজিয়ে নাটক করতে পারে।’ তিনি মনে করেন, ইরানের আঞ্চলিক সম্পর্ক নষ্ট করতেই এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জোর দিয়ে বলেন, ইরান এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
যদিও যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অঞ্চলের অনেক দেশেই ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া বা আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে। তবে বাঘেই এটিকে শত্রুতা হিসেবে দেখতে নারাজ।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা বললেও ইরান নিজের সুরক্ষার বিষয়ে আপসহীন মনোভাব প্রকাশ করেছে। বাঘেই স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি অন্য কোনো দেশের ভূখণ্ড ইরানকে আক্রমণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে ইরানের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপকে অন্য কোনো দেশের প্রতি শত্রুতা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।’
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধের ডামাডোলে ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এমন মন্তব্য এল। এরই মধ্যে উপসাগরীয় একাধিক দেশের বেসামরিক স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।

অর্থনৈতিক চাপ এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে যাতে অন্য দেশগুলো এই সংঘাত থামাতে বাধ্য হয়। তিনি পরামর্শ দেন, উপসাগরীয় আরব দেশ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোকে উচিত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাতে তারা এই আগ্রাসন বন্ধ করে।
১ ঘণ্টা আগে
ওয়াং ই জানান, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক চীনের বিশেষ দূত ইতিমধ্যে মধ্যস্থতার উদ্দেশ্যে ওই অঞ্চলের পথে রওয়ানা হয়েছেন। তিনি কুয়েতসহ অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন।
১ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে তেল ও গ্যাস পরিবহন স্বাভাবিক রাখতে হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
২ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধ এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ১০ দিন পার হতে না হতেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রাণ হারিয়েছেন শত শত মানুষ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু ইরান হলেও মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জনবল থাক
২ ঘণ্টা আগে