
জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ আবারও গাজার উদ্দেশে ত্রাণবাহী জাহাজ নিয়ে রওনা দিয়েছেন। আজ রোববার স্পেনের বার্সেলোনা বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করা এই নৌবহরের লক্ষ্য ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে গাজায় খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেটার নৌবহরকে বিদায় জানাতে বার্সেলোনার বন্দরে জড়ো হন হাজারো মানুষ। তারা ফিলিস্তিনি পতাকা নেড়ে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ ও ‘এটা যুদ্ধ নয়, গণহত্যা’ স্লোগান দিয়ে জাহাজগুলোকে বিদায় জানান।
সফর শুরুর আগে থুনবার্গ বলেন, ‘এটি এমন এক মিশন, যা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে সেই সহিংস আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে, যে ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ।’ এটি থুনবার্গের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে গত জুনে তিনি অন্য কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে গাজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী তাঁদের ছোট্ট জাহাজ আটক করে এবং তাঁদের ইসরায়েল থেকে বের করে দেয়।
২০০৭ সাল থেকে ইসরায়েল গাজায় নৌ অবরোধ চালু রেখেছে। দেশটি বলছে, হামাসের কাছে অস্ত্র পৌঁছানো ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েল এর আগের প্রচেষ্টা এবং থুনবার্গের জুনের উদ্যোগকেও ‘হামাসপন্থী প্রচারণা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
অন্যদিকে নৌবহরের আয়োজকেরা বলছেন, বিশ্বনেতারা ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যার ফলে গাজায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে। গ্লোবাল হাঙ্গার মনিটরের তথ্যমতে, গাজার কিছু অংশ ইতিমধ্যেই দুর্ভিক্ষে ভুগছে।
এবারের নৌবহরের সমন্বয় কমিটির সদস্য ইয়াসমিন আকর জানান, গ্রিস, ইতালি ও তিউনিসিয়া থেকে আরও কিছু নৌযান এই বহরে যোগ দেবে।
ইতালির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দর শহর জেনোয়া থেকে কিছু স্থানীয় মানুষ ও কয়েকটি সংগঠন প্রায় ২৫০ টন খাদ্য সংগ্রহ করেছে। এর কিছু অংশ রোববার জেনোয়া থেকে রওনা হওয়া নৌযানে তোলা হয়। বাকি অংশ সিসিলির কাটানিয়া বন্দরে পাঠানো হবে, সেখান থেকে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর গাজামুখী জাহাজে রওনা দেবে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৬৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। এই যুদ্ধ অবরুদ্ধ গাজাকে এক ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন—এমন জল্পনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছে। তবে এর পক্ষে কোনো শক্তিশালী প্রমাণ তারা দেয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত বহু মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। লেবাননসহ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জনবল রয়েছে, তারাও যুদ্ধের ডামাডোলে জড়িয়ে পড়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে এরই মধ্যে চড়া মূল্য দিতে শুরু করেছে বিশ্ব অর্থনীতি। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোও এক বিস্তৃত সংঘাতের ঝুঁকির মুখে পড়ে গেছে এবং ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এই অবস্থায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ।
২ ঘণ্টা আগে
লেবানন সীমান্তে এক হামলায় আট ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী ও কট্টর ইহুদি জাতীয়তাবাদী বা জায়নিস্ট নেতা বেজালেল স্মতরিচের ছেলেও। স্মতরিচ জানিয়েছেন, হামলায় তাঁর ছেলের লিভার বা যকৃৎ তথা কলিজা ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। তবে এখনো তিনি বেঁচে আছেন।
২ ঘণ্টা আগে