
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল রোববার বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বলতে ডেনমার্কের হাতে আছে মাত্র ‘দুটি কুকুরের স্লেজ।’ ইউরোপীয় ন্যাটো সদস্য দেশটির কাছ থেকে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেওয়ার আলোচনার মধ্যেই এই মন্তব্য করলেন তিনি। খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া বা চীন যেকোনো মুহূর্তে ডেনমার্কের এই ভূখণ্ড দখল করে নিতে পারে। তিনি বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড: মূলত তাদের প্রতিরক্ষা বলতে আছে দুইটি ডগ স্লেড। অথচ এদিকে রাশিয়ার ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন, আর চীনের ডেস্ট্রয়ার ও সাবমেরিন সর্বত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা এটা হতে দেব না।’
উনিশ শতক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কর্মকর্তা যুক্তি দিয়ে আসছেন যে, আর্কটিকের এই দ্বীপটি—যেখানে ইতিমধ্যেই একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে—আমেরিকার ভূখণ্ড হওয়া উচিত। জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে ট্রাম্প তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করার পর কোপেনহেগেন জানায়, তারা প্রতিরক্ষা জোরদার করবে—ডগ স্লেড টহল বাড়ানো হবে এবং গ্রিনল্যান্ডের পুরোনো চারটি জাহাজের বহরের সঙ্গে আরও দুটি আর্কটিক পরিদর্শন জাহাজ যুক্ত করা হবে।
সেই সময় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, সেখানে ১২টি ডগ স্লেড ইউনিট রয়েছে। স্বায়ত্তশাসিত এই ডেনিশ ভূখণ্ডটি মূলত বরফে আচ্ছাদিত; বসতি ও অবকাঠামো প্রধানত উপকূলীয় এলাকাতেই সীমাবদ্ধ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস রোববার জানিয়েছে, নর্ডিক দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড নিয়ে রাশিয়া ও চীনের কথিত হুমকি সংক্রান্ত ট্রাম্পের দাবিকে নাকচ করেছে এবং বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওই এলাকায় কোনো সামরিক তৎপরতা শনাক্ত হয়নি।
পত্রিকাটিকে এক জ্যেষ্ঠ ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, ‘এটা একেবারেই সত্য নয় যে—চীনা বা রুশরা সেখানে আছে। আমি গোয়েন্দা তথ্য দেখেছি। সেখানে কোনো জাহাজ নেই, কোনো সাবমেরিন নেই।’
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযানটির একটি উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিম গোলার্ধে ওয়াশিংটনের আধিপত্য জোরদার করা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় রুশ ও চীনা প্রভাব মোকাবিলা করা।

আমেরিকা যদি আবারও হামলা শুরু করে, তবে তার জবাবে মার্কিন অবস্থানে ‘দীর্ঘমেয়াদি ও যন্ত্রণাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ইরানের এই কড়া বার্তার ফলে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের মার্কিন পরিকল্পনা আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। গতকাল বুধবার পেন্টাগনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয়ের হিসাব নিয়ে এটিই প্রথম কোনো সরকারি তথ্য প্রকাশ।
৮ ঘণ্টা আগে
প্যারিসভিত্তিক গণমাধ্যমবিষয়ক বেসরকারি সংস্থা রিপোর্টার্স সানস ফ্রন্টিয়ার্স (আরএসএফ) বা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার মাত্রা একটি সূচকের মাধ্যমে তুলে ধরে। তাদের এই ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স’ বা বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক বলছে, বর্তমানে...
৮ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্র আরও কিছু দেশকে সঙ্গে নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। এই প্রণালিতে অবাধে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই জোটের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে