
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে ইরানের বিরুদ্ধে শেষ আঘাত হানতে প্রস্তুত। আজ রোববার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন ঘোষণা দেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েল সফর করছেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘গত ১৬ মাসে ইসরায়েল ইরানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। আমি নিশ্চিত, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করব।’
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, ‘ইরান কখনোই পরমাণু শক্তিধর দেশ হতে পারবে না। হামাস, হিজবুল্লাহ, পশ্চিম তীরের সহিংসতা, সিরিয়ায় অস্থিরতা কিংবা ইরাকি মিলিশিয়াদের পেছনে একটি সাধারণ শক্তি রয়েছে—আর সেটি ইরান। এই শক্তিকে অবশ্যই মোকাবিলা করতে হবে।’
সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনসহ মার্কিন নেতৃত্বকে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল এ বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে পারে। তবে ট্রাম্প বর্তমানে তেহরানের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি করতে চান, যা ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এ ছাড়া, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়বে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েল এখনো ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
এই সংবাদ সম্মেলনে গাজা নিয়েও কথা বলেন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ও ট্রাম্প অভিন্ন কৌশল নিয়েছেন। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সব বন্দীকে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ‘‘নরকের দ্বার’’ খুলে দেব।’
সম্প্রতি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র পুনর্বাসন করে এই ভূখণ্ডের দখল নেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, একটি ব্যতিক্রমী পুনর্নির্মাণ পরিকল্পনা ঘোষণা করে গাজাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভেরায়’ পরিণত করা হবে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি জানান, তাঁর প্রশাসন গাজার অর্থনৈতিক উন্নয়নের নেতৃত্ব দেবে, যা এই অঞ্চলের জনগণের ‘চাকরি ও বাসস্থান’ নিশ্চিত করবে।
এই পরিকল্পনা নিয়ে মার্কো রুবিও বলেন, ‘এটি হয়তো অনেকের জন্য বিস্ময়কর, কিন্তু আগের মতো একই সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেওয়া যায় না।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২০০০ পাউন্ড ওজনের এমকে-৮৪ বোমার চালান পেয়েছে ইসরায়েল। আজ রোববার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বাইডেনের প্রশাসন এই চালান আটকে রেখেছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই চালানের অনুমোদন দেওয়ার পর এই চালান ইসরায়েলে এসেছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনে ইরানের বিরুদ্ধে শেষ আঘাত হানতে প্রস্তুত। আজ রোববার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন ঘোষণা দেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েল সফর করছেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘গত ১৬ মাসে ইসরায়েল ইরানের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। আমি নিশ্চিত, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শক্তিশালী নেতৃত্বে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করব।’
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, ‘ইরান কখনোই পরমাণু শক্তিধর দেশ হতে পারবে না। হামাস, হিজবুল্লাহ, পশ্চিম তীরের সহিংসতা, সিরিয়ায় অস্থিরতা কিংবা ইরাকি মিলিশিয়াদের পেছনে একটি সাধারণ শক্তি রয়েছে—আর সেটি ইরান। এই শক্তিকে অবশ্যই মোকাবিলা করতে হবে।’
সম্প্রতি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ট্রাম্প প্রশাসনসহ মার্কিন নেতৃত্বকে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল এ বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে পারে। তবে ট্রাম্প বর্তমানে তেহরানের সঙ্গে একটি শান্তিচুক্তি করতে চান, যা ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এ ছাড়া, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়বে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরায়েল এখনো ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
এই সংবাদ সম্মেলনে গাজা নিয়েও কথা বলেন নেতানিয়াহু। তিনি জানান, গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি ও ট্রাম্প অভিন্ন কৌশল নিয়েছেন। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি সব বন্দীকে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে আমরা ‘‘নরকের দ্বার’’ খুলে দেব।’
সম্প্রতি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্যত্র পুনর্বাসন করে এই ভূখণ্ডের দখল নেওয়ার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, একটি ব্যতিক্রমী পুনর্নির্মাণ পরিকল্পনা ঘোষণা করে গাজাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের রিভেরায়’ পরিণত করা হবে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি জানান, তাঁর প্রশাসন গাজার অর্থনৈতিক উন্নয়নের নেতৃত্ব দেবে, যা এই অঞ্চলের জনগণের ‘চাকরি ও বাসস্থান’ নিশ্চিত করবে।
এই পরিকল্পনা নিয়ে মার্কো রুবিও বলেন, ‘এটি হয়তো অনেকের জন্য বিস্ময়কর, কিন্তু আগের মতো একই সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেওয়া যায় না।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ২০০০ পাউন্ড ওজনের এমকে-৮৪ বোমার চালান পেয়েছে ইসরায়েল। আজ রোববার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বাইডেনের প্রশাসন এই চালান আটকে রেখেছিলেন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই চালানের অনুমোদন দেওয়ার পর এই চালান ইসরায়েলে এসেছে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৫ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৬ ঘণ্টা আগে