
আজ পবিত্র হজ। আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দিন। আরাফাতের ময়দানে এবার হজে অংশগ্রহণকারী মুসলিম উম্মাহর উদ্দেশে খুতবাহ দেবেন শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ। এ বছর সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ রাজকীয় ফরমানে তাঁকে আরাফাতের মহান দিনে খুতবা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।
হজের খুতবা বাংলা, ইংরেজি, ফরাসি, তুর্কি, মালাইউ, চায়নিজ, উর্দু, ফারসি, রাশিয়ান ও হাউসা ভাষায় অনুবাদ করা হবে। এ বছর হজের খুতবার বাংলা অনুবাদ করবেন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মাওলানা আ ফ ম ওয়াহীদুর রহমান। তিনি বর্তমানে মক্কা ইসলামি সেন্টারে দাঈ হিসেবে কাজ করছেন।
মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববি পরিচালনা পরিষদ এ তথ্য জানিয়েছে।
করোনা মহামারিতে দ্বিতীয় বছরের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র হজ। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা নেওয়া মাত্র ৬০ হাজার মানুষ এবার হজে অংশ নিয়েছেন। করোনা মহামারির আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালে ২৫ লাখ মুসল্লি হজে অংশ নিয়েছিলেন।
হজের অনুমতি পাওয়া আমিনা নামের একজন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘আমি নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করছি। চলতি বছর হজের অনুমতিপ্রাপ্তদের মধ্যে থাকতে পেরে।’
আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সেদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুসল্লিরা কাবাঘর তাওয়াফ করেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাওয়াফের কারণে ঘণ্টায় দুই হাজারের বেশি ব্যক্তি তাওয়াফ করার সুযোগ পাননি। গতকাল রোববার হজযাত্রীরা মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
মিনায় রাত যাপন হজের অন্যতম সুন্নত। রাত যাপন শেষে মুসল্লিরা সারা দিন মিনাতেই ছিলেন। সেখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামাজ আদায় করা মোস্তাহাব। সেখান থেকে আজ সূর্যোদয়ের পর মুসল্লিরা যাবেন প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে। সোমবার আরাফাহর দিনে পালিত হবে পবিত্র হজ। এ ময়দানে অবস্থান হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা (ফরজ)। এরপর কোরবানিসহ কিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হবে পবিত্র হজ।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে