
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ইউক্রেনের অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম সংরক্ষণের একটি গুদামে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এতে অন্তত ২১ জন ইউক্রেনীয় নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ শনিবার ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের এক মুখপাত্র জানান, দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন কমান্ডার ও সেনাদের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি ইউক্রেন-সম্পর্কিত অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমের একটি গুদাম লক্ষ্য করে ‘হাইব্রিড’ সামরিক অভিযান চালানো হয়।
তিনি দাবি করেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে গুদামটি ধ্বংস করা হয়েছে। ওই স্থানে ২১ জন ইউক্রেনীয় উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে ওই ইউক্রেনীয়দের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই বলে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, ‘তারা নিহত হয়ে থাকতে পারেন।’
তবে তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, তারা বিষয়টির সত্য-মিথ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র বা ইউক্রেনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম দিনের হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। তখন থেকে এখনো ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে ইউক্রেন, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
১৪ মিনিট আগে
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান। স্যাটেলাইট ইমেজ বা উপগ্রহ চিত্রে এয়ার বেস থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ল্যান্ডস্যাট-৯ থেকে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, বিমান ঘাঁটির টারম্যাকের একটি অংশ থেকে আগুনের কালো ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে উপরে উঠছে।
১ ঘণ্টা আগে
যাত্রাপথে তাঁরা দিক হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘ ছয় দিন খাদ্য ও পানীয় ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে চরম অবসাদে ২২ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মরদেহ পাচারকারীদের নির্দেশে ভূমধ্যসাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
সাক্ষাৎকারে ভান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তাদের অধিকাংশ সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও কিছু সময় অভিযান চালিয়ে যেতে চান, যাতে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।
১ ঘণ্টা আগে