
অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিতে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল। উল্টো আজ শুক্রবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় থাকা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়েছে সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, বৃহস্পতিবার গাজার নাগরিকেরা যখন ত্রাণবাহী গাড়ির আগমনের অপেক্ষায় ছিল তখন ‘সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা’ গুলি চালিয়েছে। এরপর গাজাবাসী ত্রাণের ট্রাক লুট করেছে। আর তখনো গুলি চালিয়ে গেছে সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
তবে ইসরায়েলের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস শাসিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীই দায়ী।
এএফপি বলেছিল, গত বুধবার ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা একদল ফিলিস্তিনির ওপর কোনো কারণ ছাড়াই গুলি চালায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়।
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। মধ্যস্থতাকারীদের এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো সেই প্রস্তাবে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হামাসের যুদ্ধবিরতির প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ‘অবাস্তব’ দাবির ওপর ভিত্তি করে প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার একটি ত্রাণ বিতরণ পয়েন্টে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি সৈন্যদের নির্বিচার গুলিতে অন্তত ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আহত হয়েছিল আরও সাত শতাধিক ফিলিস্তিনি।

অবরুদ্ধ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভূখণ্ড গাজায় ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুলিতে অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার ঘটনার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল। উল্টো আজ শুক্রবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, উত্তর গাজায় মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় থাকা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়েছে সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, বৃহস্পতিবার গাজার নাগরিকেরা যখন ত্রাণবাহী গাড়ির আগমনের অপেক্ষায় ছিল তখন ‘সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা’ গুলি চালিয়েছে। এরপর গাজাবাসী ত্রাণের ট্রাক লুট করেছে। আর তখনো গুলি চালিয়ে গেছে সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
তবে ইসরায়েলের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস শাসিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীই দায়ী।
এএফপি বলেছিল, গত বুধবার ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা একদল ফিলিস্তিনির ওপর কোনো কারণ ছাড়াই গুলি চালায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়।
এদিকে, গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। মধ্যস্থতাকারীদের এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো সেই প্রস্তাবে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হামাসের যুদ্ধবিরতির প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ‘অবাস্তব’ দাবির ওপর ভিত্তি করে প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার একটি ত্রাণ বিতরণ পয়েন্টে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি সৈন্যদের নির্বিচার গুলিতে অন্তত ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আহত হয়েছিল আরও সাত শতাধিক ফিলিস্তিনি।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে