আজকের পত্রিকা ডেস্ক

লন্ডনে চীনের প্রস্তাবিত নতুন ‘মেগা দূতাবাস’ নির্মাণের বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে বিক্ষোভ। সরকারের অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্তের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যেই গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এই বিক্ষোভে যোগ দেন যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনক।
কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সরকারের প্রতি আহ্বান জানান চীনের এই দূতাবাস প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করার জন্য। ব্যাডেনকের অভিযোগ, চীনা সরকার ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের হয়রানি ও নিষেধাজ্ঞার মুখে ফেলেছে এবং চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে জড়ো হওয়া শত শত মানুষের সামনে কেমি ব্যাডেনক বলেন, ‘চীনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতেই হবে। কিন্তু আমার আশঙ্কা হচ্ছে, বর্তমান সরকার চীনের ব্যাপারে ভীত।’ সে সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘নো চায়না মেগা অ্যাম্বাসি’। এই সমাবেশে কনজারভেটিভ পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের রাজনীতিকেরা বক্তব্য দেন।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতার পর সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এরপরই জানা যাবে লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের কাছে রয়্যাল মিন্টে ইউরোপের সবচেয়ে বড় চীনা দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হবে কি না। তবে বিভিন্ন সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি হয়তো অনুমোদন পেতে পারে।
চীন ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাজ্য সাত বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে ‘অযথা জটিলতা ও রাজনীতি’ করছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এশিয়ার এই পরাশক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতা বজায় রাখা জরুরি। এই দূতাবাস নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদিত হলে স্টারমারের বহু প্রতীক্ষিত চীন সফরের পথ খুলে যাবে এবং বেইজিংয়ে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
কেন এই মেগা দূতাবাস নিয়ে আপত্তি
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল দূতাবাস নয়, বরং একটি ‘স্পাই হাব’ বা গোয়েন্দা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দূতাবাসের নকশায় ভূগর্ভস্থ অংশে ২০৮টি গোপন কক্ষ ও একটি লুকানো চেম্বার রয়েছে, যা থেকে ব্রিটেনের স্পর্শকাতর তথ্য চুরি বা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালানো সম্ভব।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেও চীনা গুপ্তচর তৎপরতা নিয়ে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। গত নভেম্বরে দেশটির সামরিক নিরাপত্তা সংস্থা এমআই-৫ সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে জানায়, চীনা এজেন্টরা লিংকডইন বা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ ও প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই দূতাবাস প্রকল্পে আপত্তি তোলেনি। কিছু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, ঝুঁকি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য আর এতে লন্ডনে বর্তমানে ছড়িয়ে থাকা চীনের সাতটি কূটনৈতিক স্থাপনা এক জায়গায় আনা যাবে।

লন্ডনে চীনের প্রস্তাবিত নতুন ‘মেগা দূতাবাস’ নির্মাণের বিরুদ্ধে জোরালো হচ্ছে বিক্ষোভ। সরকারের অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্তের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মধ্যেই গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এই বিক্ষোভে যোগ দেন যুক্তরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনক।
কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির সরকারের প্রতি আহ্বান জানান চীনের এই দূতাবাস প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করার জন্য। ব্যাডেনকের অভিযোগ, চীনা সরকার ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের হয়রানি ও নিষেধাজ্ঞার মুখে ফেলেছে এবং চীনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্রিটিশ নাগরিকদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছে।
বিক্ষোভস্থলে জড়ো হওয়া শত শত মানুষের সামনে কেমি ব্যাডেনক বলেন, ‘চীনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের দাঁড়াতেই হবে। কিন্তু আমার আশঙ্কা হচ্ছে, বর্তমান সরকার চীনের ব্যাপারে ভীত।’ সে সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন—‘নো চায়না মেগা অ্যাম্বাসি’। এই সমাবেশে কনজারভেটিভ পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের রাজনীতিকেরা বক্তব্য দেন।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতার পর সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এরপরই জানা যাবে লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের কাছে রয়্যাল মিন্টে ইউরোপের সবচেয়ে বড় চীনা দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হবে কি না। তবে বিভিন্ন সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি হয়তো অনুমোদন পেতে পারে।
চীন ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের বিলম্ব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, যুক্তরাজ্য সাত বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে ‘অযথা জটিলতা ও রাজনীতি’ করছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না। তবে একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এশিয়ার এই পরাশক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক সংলাপ ও সহযোগিতা বজায় রাখা জরুরি। এই দূতাবাস নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদিত হলে স্টারমারের বহু প্রতীক্ষিত চীন সফরের পথ খুলে যাবে এবং বেইজিংয়ে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
কেন এই মেগা দূতাবাস নিয়ে আপত্তি
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। ২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেব্লের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল দূতাবাস নয়, বরং একটি ‘স্পাই হাব’ বা গোয়েন্দা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দূতাবাসের নকশায় ভূগর্ভস্থ অংশে ২০৮টি গোপন কক্ষ ও একটি লুকানো চেম্বার রয়েছে, যা থেকে ব্রিটেনের স্পর্শকাতর তথ্য চুরি বা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালানো সম্ভব।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আগেও চীনা গুপ্তচর তৎপরতা নিয়ে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। গত নভেম্বরে দেশটির সামরিক নিরাপত্তা সংস্থা এমআই-৫ সংসদ সদস্যদের সতর্ক করে জানায়, চীনা এজেন্টরা লিংকডইন বা ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে তাঁদের নিয়োগ ও প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এই দূতাবাস প্রকল্পে আপত্তি তোলেনি। কিছু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের মতে, ঝুঁকি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণযোগ্য আর এতে লন্ডনে বর্তমানে ছড়িয়ে থাকা চীনের সাতটি কূটনৈতিক স্থাপনা এক জায়গায় আনা যাবে।

দীর্ঘ ২৫ বছরের আলোচনার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখল ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও দক্ষিণ আমেরিকার বাণিজ্যিক জোট মার্কোসুরের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। গতকাল শনিবার প্যারাগুয়েতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং মার্কোসুরভুক্ত দেশগুলোর (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে)
৩ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের করাচি শহরের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা এম এ জিন্নাহ রোডের গুল প্লাজা শপিং মলে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই আগুন আজ রোববার দুপুরে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
৩ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার এই বাসিন্দা অবাক হয়ে দেখেন, তাঁর বয়সী পুরুষেরা ইন্টারনেটে উপহাসের পাত্র হয়ে উঠেছেন। জেন-জি এবং তুলনামূলক তরুণ মিলেনিয়ালদের ফ্যাশন অনুকরণ করার জন্যই তাঁদের নিয়ে ঠাট্টা করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে জানিয়েছেন দেশটির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। আজ রোববার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ ভয়াবহ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তবে ওই কর্মকর্তা তাঁর নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে