
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার এক নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি দিল ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী স্পষ্ট জানিয়েছে, এই অঞ্চলের যেসব হোটেলে মার্কিন সৈন্যরা অবস্থান করছে, সেগুলোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুল ফজল শেকারচি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যখন একদল মার্কিন সেনা কোনো হোটেলে অবস্থান নেয়, তখন আমাদের দৃষ্টিতে সেই পুরো হোটেলটিই একটি আমেরিকান ঘাঁটিতে পরিণত হয়।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমেরিকানরা আমাদের ওপর হামলা করবে আর আমরা কি হাত গুটিয়ে বসে থাকব? আমরা যখন পাল্টা জবাব দেব, তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা যেখানে থাকবে সেখানেই আমাদের আঘাত হানতে হবে।’
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন। তিনি দাবি করেন, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) বা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সৈন্যরা সাধারণ মানুষকে ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।
আরাঘচি বলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই মার্কিন সৈন্যরা জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি থেকে পালিয়ে হোটেল এবং অফিসগুলোতে গিয়ে লুকিয়ে থাকছে।’ তিনি ওই অঞ্চলের হোটেলগুলোকে মার্কিন সেনাদের জন্য বুকিং না দেওয়ার আহ্বান জানান।
ইরানের এই হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পর্যটন এবং হসপিটালিটি খাতে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুবাই, কাতার বা সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তাদের একটি বড় অংশ প্রায়ই বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেলে অবস্থান করে। ইরানের এই অবস্থানের ফলে এখন সাধারণ পর্যটকদের নিরাপত্তাও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এল, যখন হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার ফলে বিশ্ব অর্থনীতি এমনিতেই এক টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই ছায়াযুদ্ধ এখন ভূমিতে সরাসরি সংঘাতে রূপ নেওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও তারা এর দায় স্বীকার করেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘শাজারাহ তাইয়েবাহ’ এলিমেন্টারি স্কুলে চালানো এই বর্বরোচিত হামলায় ১৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই ছিল শিশু...
৩৬ মিনিট আগে
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইরানে ‘চূড়ান্ত আঘাত বা ফাইনাল ব্লো’র জন্য সামরিক বিকল্পগুলো যাচাই করে দেখছে। এই বিকল্পগুলোর মধ্যে দেশটিতে সরাসরি স্থলবাহিনীর ব্যবহার এবং ব্যাপক বোমা হামলা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
এডওয়ার্ড স্নোডেন, চেলসি ম্যানিং, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, পানামা পেপারস ফাঁসকারী পক্ষসহ দুনিয়াজুড়ে যখন বিভিন্ন খাতের হুইসেলব্লোয়ারদের নাম উল্লেখ করা হয়, তখন একজনের নাম প্রায়ই অনুচ্চারিত থেকে যায়। তিনি মর্দেকাই ভানুনু। ১৯৮৬ সালে তিনিই ব্রিটেনে বসে ইসরায়েলের দিমোনা পরমাণু কর্মসূচির কথা ফাঁস করে দেন।
১ ঘণ্টা আগে
বার্লিন এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে। লক্ষ্য হলো—যুক্তরাষ্ট্রের কোন দুর্বল অবস্থানে জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অংশীদাররা চাপ প্রয়োগ করতে পারে, তা নির্ধারণ করা।
৩ ঘণ্টা আগে