ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের সেকেন্দরাবাদে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারের শোরুমে আগুন লাগার পর দ্রুত ওপরের তলার হোটেল ছড়িয়ে পড়ে অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। সোমবার গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমে শোরুমটির নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত দ্বিতীয় তলার ‘রুবি হোটেলে’ ছড়িয়ে পড়ে। হোটেলটিতে কমপক্ষে ২৫ জন অতিথি ছিলেন। ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টে বেশির ভাগ মানুষ মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
সেকেন্দরাবাদের অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ ক্রেন-মই ব্যবহার করে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে। এ সময় স্থানীয় অনেক মানুষ উদ্ধারকাজে সাহায্য করেছেন। ভিডিওতে দেখা গেছে, হোটেলে আটকে পড়া অনেক মানুষ জানালা দিয়ে লাফ দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
এদিকে হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার সিভি আনন্দ বলেছেন, ‘আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তেলেঙ্গানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহম্মদ মেহমুদ আলি জানিয়েছেন, ‘আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন। তার পরও প্রচণ্ড ধোঁয়ার কারণে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা আমরা তদন্ত করে দেখছি।’
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক টুইট বার্তায় দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ২ লাখ রুপি এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার রুপি করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৬ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৮ ঘণ্টা আগে