Ajker Patrika

আটকের পর দাদির মৃত্যুসংবাদ পেলেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আটকের পর দাদির মৃত্যুসংবাদ পেলেন সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান অভিজিৎ দীপকে। ঠিক এই সংকটময় মুহূর্তে মহারাষ্ট্রের নিজ গ্রামে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন তাঁর দাদি সাবিত্রীবাই শঙ্কররাও দীপকে।

দিল্লি পুলিশ সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে আটকের পর পরই অভিজিৎ দীপকেকে তাঁর দাদির মৃত্যুর খবরটি জানানো হয়েছে। গত এক মাস ধরে অসুস্থ থেকে হিংগোলির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তাঁর দাদি। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি এখন পুলিশি হেফাজতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন নাকি দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে নিজ গ্রামে ফিরে যাবেন—সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিজিতের বাবা-মা জানিয়েছেন, তাঁরা শেষকৃত্যে যোগ দিতে হিংগোলির গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে অভিজিতের মা অনিতা দীপকে সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম যখন নিজেদের অধিকার ও বিশ্বাসের পক্ষে লড়াই করছে, তখন কেন তাঁদের এভাবে আটক করা হচ্ছে? সরকারের এই আচরণ কোনোভাবেই সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে আজ সকালে মুম্বাই থেকে সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে নিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট অবতরণের পরই ওই বিমান থেকে তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিমানের ভেতরে অন্তত এক ডজন নারী পুলিশ কর্মকর্তা তাঁদের ঘিরে ধরেন। বিমানেই এভাবে কেন আটক করা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আপনারা দেখছেন, দেশ কোন দিকে যাচ্ছে। বিমান থেকে সরাসরি আমাদের গ্রেপ্তার করতে এসেছে পুলিশ। ইন্দিরা গান্ধীর আমলেও এমন ঘটনা ঘটেনি। এটা স্রেফ একনায়কতন্ত্র।’ তিনি পুলিশকে উদ্দেশ করে আরও বলেন, ‘আমি এখানে গ্রেপ্তার হতেই এসেছি, আমাকে গ্রেপ্তার করুন।’ এ সময় নারী পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত সংযতভাবে দীপকে ও তাঁর সঙ্গীদের শান্ত থাকার এবং সহযোগিতার অনুরোধ জানান। পরে তাঁদের আলাদা আলাদা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত