
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আসন্ন ভারত সফর উপলক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে নয়াদিল্লি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিসের উচ্চ প্রশিক্ষিত কর্মী, ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) সেরা কমান্ডো, স্নাইপার, ড্রোন, জ্যামার, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) মনিটরিংসহ সব মিলিয়ে একটি পাঁচ-স্তরীয় নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারত-রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল সন্ধ্যায় পুতিনের দিল্লি পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাল পৌঁছানোর পরই প্রেসিডেন্ট পুতিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নৈশভোজে অংশ নেবেন। পরদিন শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হবে। এরপর তিনি রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে হায়দরাবাদ হাউসে শীর্ষ সম্মেলন এবং ভারত মণ্ডপমে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দেওয়া নৈশভোজেও পুতিন অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
পুতিনের এমন ব্যস্ত সফরসূচির মধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়া থেকে চার ডজনের বেশি শীর্ষ নিরাপত্তাকর্মী আগেভাগে দিল্লি এসে পৌঁছেছেন। পুতিন ভারতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই এই পাঁচ-স্তরীয় নিরাপত্তাবলয় সক্রিয় হবে।
নিরাপত্তার ভেতরের স্তরগুলোর দায়িত্বে থাকবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস। রুশ প্রেসিডেন্ট যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে থাকবেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকা ভারতের স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) কমান্ডোরাও এই ভেতরের নিরাপত্তাবলয়ে যুক্ত হবেন। বাইরের নিরাপত্তা স্তরগুলোতে থাকবেন এনএসজি এবং দিল্লি পুলিশের কর্মকর্তারা।
দিল্লি পুলিশ এবং এনএসজি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যৌথভাবে রুশ কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্টের কনভয় যেসব পথ দিয়ে যাবে, সেই রুট স্যানিটাইজ করছেন। পুতিনের নিরাপত্তার জন্য বৃহৎ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার মধ্যে থাকছে বিশেষ ড্রোন। এগুলো প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার জন্য তৈরি কন্ট্রোল রুমে প্রতি মুহূর্তে তাঁর কনভয়ের গতিবিধির ওপর নজর রাখবে। স্নাইপার—কনভয়ের রুটে মোতায়েন থাকবে একাধিক স্নাইপার। অন্যান্য প্রযুক্তি—জ্যামার, এআই মনিটরিং এবং ফেশিয়াল রিকগনিশন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রত্যেকে কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। এ ছাড়া পুতিন যে হোটেলে উঠবেন এবং যেসব জায়গায় তাঁর যাওয়ার কথা, সেই সব স্থানে রুশ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কড়া তল্লাশি চালাচ্ছেন। তাৎক্ষণিক গন্তব্যের জন্য সম্ভাব্য স্থানগুলোরও তালিকা তৈরি করে স্ক্যান করা হচ্ছে।
পুতিনের নিরাপত্তার একটি বড় আকর্ষণ হলো তাঁর ব্যবহৃত অত্যাধুনিক সাঁজোয়া বিলাসবহুল লিমুজিন ‘অরাস সেনাট’ (Aurus Senat)। এই গাড়িকে ‘চাকার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা দুর্গ’ (fortress-on-wheels) বলা হয়। এটি রুশ গাড়ি প্রস্তুতকারক অরাস মোটরসের তৈরি একটি পূর্ণাঙ্গ বিলাসবহুল লিমুজিন। পুতিনের ভারত সফরের জন্য এই অরাস সেনাট লিমুজিন মস্কো থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে চীনে অনুষ্ঠিত এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের সময় রুশ প্রেসিডেন্ট এই সেনাট গাড়িতেই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে ঘুরেছিলেন।

প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে অর্থনৈতিক শক্তিকে অস্ত্রে পরিণত করার একধরনের একচেটিয়া আধিপত্য বহুদিন উপভোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেসব রাষ্ট্রকে বাগে আনতে ব্যর্থ হতো, তাদের ডলার বা সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে তারা শাস্তি দিত। তবে এক বছরের মধ্যে দুবার বিশ্ব অর্থনীতিতে
২ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু কাঙ্ক্ষিত আলোচনা শেষ হয়েছে। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে টানা ১৪ ঘণ্টার সেই আলোচনা শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিদলই গতকাল রোববার দেশে ফিরে গেছে। তাৎক্ষণিক কোনো ঘোষণা বা ফলাফল পাওয়া গেল না ইসলামাবাদ থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, সামরিক প্রয়োজন ছাড়া বেসামরিক বাড়িঘর ধ্বংস করা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ধ্বংস হয়ে যাওয়া গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের কাছে এটি কেবল ঘর হারানো নয়, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতি হারানো।
৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচলে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বাস্তবে তার প্রভাব হবে অত্যন্ত নগণ্য। প্রখ্যাত শিপিং বিশেষজ্ঞ লার্স জেনসেনের মতে, এই অবরোধ শুধু হাতে গোনা কয়েকটি জাহাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, যা সামগ্রিক বিশ্ববাণিজ্যে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না।
৫ ঘণ্টা আগে