কলকাতা প্রতিনিধি

পৃথক রাজ্যের মর্যাদা এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে লাদাখের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ক্রমশ তীব্র রূপ ধারণ করছে। যে দাবিগুলো বহুবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও পূরণ হয়নি, সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এখন সরাসরি বিজেপির কাঁধে এসে পড়েছে। এই ক্ষোভে লাদাখের লেহ শহর অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে এবং পুলিশ ভ্যানে আগুন দিয়েছে।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ মিছিল বিজেপির দপ্তর লক্ষ্য করে পৌঁছালে সেই উদ্বেগ দিল্লি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলাতে প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে।
২০১৯ সালের আগস্ট মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা এবং দ্রুততম সময়ে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ছয় বছর কেটে গেলেও লাদাখের জনগণ সেই মর্যাদা ফিরে পায়নি। এই জমে থাকা ক্ষোভ এখন বিস্ফোরক রূপ ধারণ করেছে।
এদিকে, লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুক ১৫ দিন ধরে টানা অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর শরীর ভেঙে পড়ছে এবং গতকালই তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজন অনশনকারী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেই খবরে মানুষের ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
আজ বুধবার সকাল থেকে শত শত মানুষ লেহ শহরের রাস্তায় নেমে আসে। তারা রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দেয়। এই মিছিল বিজেপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান তুলতে থাকে—কেন তাদের দাবিদাওয়া শোনা হচ্ছে না, কেন ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না এবং কেন এই বিষয়ে ঢিলেমি চলছে। পুলিশ ভিড় সরানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং বিক্ষোভকারীরাও ক্ষোভে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা শুরু করে। মুহূর্তেই পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং লেহ শহরের পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
দিল্লি উদ্বেগের সঙ্গে এই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথম লাদাখের রাজপথ এভাবে উত্তপ্ত হলো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ৬ অক্টোবর একটি বৈঠকের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। লেহ অ্যাপেক্স বডি ও কারগিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে এই আলোচনা হবে। কিন্তু লাদাখের প্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকি স্বীকার করেছেন যে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা ভুল ছিল এবং তাঁদের দাবিদাওয়া কার্যত বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর আন্দোলন আরও বিস্ফোরক আকার নেয়।
লাদাখের জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বিজেপিকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। মানুষের ক্ষোভ সরাসরি শাসক দলের বিরুদ্ধে গিয়ে ঠেকেছে। পিটিআই সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা ঘোষণা করেছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। যত চাপই আসুক, তারা পিছু হটবে না এবং যত দিন রাজ্যের মর্যাদা ফিরে না পাবে, তত দিন লড়াই চালিয়ে যাবে।
লাদাখের সাধারণ মানুষ বলছে, আর অপেক্ষা করা নয়, যত দিন প্রতিশ্রুতি পূরণ না হবে, তত দিন রাস্তাই হবে শেষ ভরসা। রাজপথের এই উত্তাল জনবিক্ষোভ শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। বিজেপি কার্যত কোণঠাসা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে মানুষের আস্থা টলমল। আগামী দিনে এই গণ-আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলও মনে করছে, একবার এই ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তা সামলানো কঠিন হবে।

পৃথক রাজ্যের মর্যাদা এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে লাদাখের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ক্রমশ তীব্র রূপ ধারণ করছে। যে দাবিগুলো বহুবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও পূরণ হয়নি, সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এখন সরাসরি বিজেপির কাঁধে এসে পড়েছে। এই ক্ষোভে লাদাখের লেহ শহর অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছে এবং পুলিশ ভ্যানে আগুন দিয়েছে।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ মিছিল বিজেপির দপ্তর লক্ষ্য করে পৌঁছালে সেই উদ্বেগ দিল্লি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামলাতে প্রশাসন হিমশিম খাচ্ছে।
২০১৯ সালের আগস্ট মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করার পর জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, এটি একটি সাময়িক ব্যবস্থা এবং দ্রুততম সময়ে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ছয় বছর কেটে গেলেও লাদাখের জনগণ সেই মর্যাদা ফিরে পায়নি। এই জমে থাকা ক্ষোভ এখন বিস্ফোরক রূপ ধারণ করেছে।
এদিকে, লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুক ১৫ দিন ধরে টানা অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর শরীর ভেঙে পড়ছে এবং গতকালই তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজন অনশনকারী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেই খবরে মানুষের ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
আজ বুধবার সকাল থেকে শত শত মানুষ লেহ শহরের রাস্তায় নেমে আসে। তারা রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দেয়। এই মিছিল বিজেপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান তুলতে থাকে—কেন তাদের দাবিদাওয়া শোনা হচ্ছে না, কেন ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না এবং কেন এই বিষয়ে ঢিলেমি চলছে। পুলিশ ভিড় সরানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং বিক্ষোভকারীরাও ক্ষোভে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা শুরু করে। মুহূর্তেই পুলিশের কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং লেহ শহরের পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
দিল্লি উদ্বেগের সঙ্গে এই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথম লাদাখের রাজপথ এভাবে উত্তপ্ত হলো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য জানিয়েছে, উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ৬ অক্টোবর একটি বৈঠকের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। লেহ অ্যাপেক্স বডি ও কারগিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে এই আলোচনা হবে। কিন্তু লাদাখের প্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকি স্বীকার করেছেন যে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা ভুল ছিল এবং তাঁদের দাবিদাওয়া কার্যত বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর আন্দোলন আরও বিস্ফোরক আকার নেয়।
লাদাখের জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে বিজেপিকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। মানুষের ক্ষোভ সরাসরি শাসক দলের বিরুদ্ধে গিয়ে ঠেকেছে। পিটিআই সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা ঘোষণা করেছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। যত চাপই আসুক, তারা পিছু হটবে না এবং যত দিন রাজ্যের মর্যাদা ফিরে না পাবে, তত দিন লড়াই চালিয়ে যাবে।
লাদাখের সাধারণ মানুষ বলছে, আর অপেক্ষা করা নয়, যত দিন প্রতিশ্রুতি পূরণ না হবে, তত দিন রাস্তাই হবে শেষ ভরসা। রাজপথের এই উত্তাল জনবিক্ষোভ শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক চাপও বাড়িয়েছে। বিজেপি কার্যত কোণঠাসা এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে মানুষের আস্থা টলমল। আগামী দিনে এই গণ-আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক মহলও মনে করছে, একবার এই ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তা সামলানো কঠিন হবে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনায় বলা হয়েছিল—অবিলম্বে সব ধরনের সামরিক হামলা বন্ধ করতে হবে; ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে; গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করতে হবে; পূর্ণমাত্রায় মানবিক সহায়তা...
৯ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
১১ ঘণ্টা আগে