
রাজ্যজুড়ে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ার দুই বছর পর আজ রোববার পদত্যাগ করেছেন ভারতের বিজেপি শাসিত মণিপুর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ এবং আগামীকাল সোমবার কংগ্রেসের সম্ভাব্য অনাস্থা প্রস্তাবের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বীরেন সিংহ আজ সন্ধ্যায় রাজ্যপাল অজয় কুমার ভল্লার কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে তিনি ১৪ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভার আর কোনো সদস্যকে নিজের পক্ষে দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।
এ অবস্থায় রাজ্যে ফিরে গিয়ে, পদত্যাগপত্র জমা দেন বীরেন সিংহ। কংগ্রেস তাঁর এই ইস্তফাকে নিজেদের দাবির স্বীকৃতি বলে উল্লেখ করেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল ঘোষণা করেছেন—মণিপুর বিধানসভার বাজেট অধিবেশন আগামীকাল থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিজেপির হাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও কনরাড সাংমার ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) সমর্থন প্রত্যাহার করায় অনেক বিধায়কই নেতৃত্ব বদলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এই সংকট এড়াতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিংহ পদত্যাগ করেন।
মণিপুর বিজেপির প্রধান শারদা দেবী বলেছেন, ‘রাজ্যের অখণ্ডতা রক্ষার স্বার্থে এবং জনসাধারণের কল্যাণ বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি মণিপুরের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর পদত্যাগ রাজ্যের প্রতি তাঁর গভীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’
শারদা জানান, বীরেন সিংহের উত্তরসূরি এখনো ঠিক হয়নি।
তবে বিজেপি শিগগিরই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারে। কংগ্রেসও পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বীরেন সিংহের পদত্যাগ মণিপুরের চলমান সংকটের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তবে নতুন নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

রাজ্যজুড়ে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ার দুই বছর পর আজ রোববার পদত্যাগ করেছেন ভারতের বিজেপি শাসিত মণিপুর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির অন্দরে অসন্তোষ এবং আগামীকাল সোমবার কংগ্রেসের সম্ভাব্য অনাস্থা প্রস্তাবের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বীরেন সিংহ আজ সন্ধ্যায় রাজ্যপাল অজয় কুমার ভল্লার কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে তিনি ১৪ জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ৬০ সদস্যের মণিপুর বিধানসভার আর কোনো সদস্যকে নিজের পক্ষে দেখাতে ব্যর্থ হন তিনি।
এ অবস্থায় রাজ্যে ফিরে গিয়ে, পদত্যাগপত্র জমা দেন বীরেন সিংহ। কংগ্রেস তাঁর এই ইস্তফাকে নিজেদের দাবির স্বীকৃতি বলে উল্লেখ করেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যপাল ঘোষণা করেছেন—মণিপুর বিধানসভার বাজেট অধিবেশন আগামীকাল থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে।
জানা গেছে, বিজেপির হাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও কনরাড সাংমার ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) সমর্থন প্রত্যাহার করায় অনেক বিধায়কই নেতৃত্ব বদলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এই সংকট এড়াতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বিরেন সিংহ পদত্যাগ করেন।
মণিপুর বিজেপির প্রধান শারদা দেবী বলেছেন, ‘রাজ্যের অখণ্ডতা রক্ষার স্বার্থে এবং জনসাধারণের কল্যাণ বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। ২০১৭ সাল থেকে তিনি মণিপুরের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তাঁর পদত্যাগ রাজ্যের প্রতি তাঁর গভীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’
শারদা জানান, বীরেন সিংহের উত্তরসূরি এখনো ঠিক হয়নি।
তবে বিজেপি শিগগিরই নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে পারে। কংগ্রেসও পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, বীরেন সিংহের পদত্যাগ মণিপুরের চলমান সংকটের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তবে নতুন নেতৃত্ব কীভাবে পরিস্থিতি সামলাবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুত গতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
৪ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে