কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতীয় মুদ্রা রুপির নোটে এবার দেবী লক্ষ্মী ও দেবতা গণেশের ছবি ব্যবহারের দাবি তুলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর মতে লক্ষ্মী–গণেশের ছবি ব্যবহার করা হলে রুপির অবমূল্যায়নের হার কমতে পারে, বাড়তে পারে মান। স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে কেজরিওয়াল জানান, শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠিও দেবেন।
অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতে, মুসলিমপ্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার নোটে যদি দেবতা গণেশের ছবি থাকতে পারে তবে ভারতেও লক্ষ্মী-গণেশের ছবি রাখা উচিত। বর্তমানে ভারতীয় নোটে কেবল দেশটির জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর ছবি ব্যবহার করা হয়।
বিষয়টি উল্লেখ করে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রস্তাব, রুপির এক পিঠে থাকবে মহাত্মা গান্ধীর ছবি এবং অন্য পিঠে থাকবে লক্ষ্মী ও গণেশের ছবি। এটা হলে ভগবানের আশীর্বাদে ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য হ্রাসের ধারা অনেকটা কমতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমি যেমনটা বলেছি—দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির জন্য আমাদের অনেক চেষ্টা চালাতে হবে। আমাদের প্রচেষ্টা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন আমরা দেব-দেবীর আশীর্বাদ পাই। নোটের একপাশে গণেশ ও লক্ষ্মীর ছবি এবং অন্যপাশে গান্ধীর ছবি থাকলে পুরো দেশই আশীর্বাদ পাবে।’
কেজরিওয়ালের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়ন, বিজেপির হিন্দু ভোট ব্যাংকের ভাগ নিতেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল এ ধরনের দাবি তুলেছেন। তবে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফ থেকে গান্ধীর বদলে ভারতীয় রুপিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি ছাপানোর দাবি উঠেছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামী এই দাবি তুলেছেন। উল্লেখ্য, এই সংগঠনটিই গত দুর্গা পূজার সময় অসুরকে গান্ধীর রূপে সাজিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন।
বিশ্ব খবর সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ভারতীয় মুদ্রা রুপির নোটে এবার দেবী লক্ষ্মী ও দেবতা গণেশের ছবি ব্যবহারের দাবি তুলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর মতে লক্ষ্মী–গণেশের ছবি ব্যবহার করা হলে রুপির অবমূল্যায়নের হার কমতে পারে, বাড়তে পারে মান। স্থানীয় সময় আজ বুধবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে কেজরিওয়াল জানান, শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে চিঠিও দেবেন।
অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতে, মুসলিমপ্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়ার নোটে যদি দেবতা গণেশের ছবি থাকতে পারে তবে ভারতেও লক্ষ্মী-গণেশের ছবি রাখা উচিত। বর্তমানে ভারতীয় নোটে কেবল দেশটির জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর ছবি ব্যবহার করা হয়।
বিষয়টি উল্লেখ করে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রস্তাব, রুপির এক পিঠে থাকবে মহাত্মা গান্ধীর ছবি এবং অন্য পিঠে থাকবে লক্ষ্মী ও গণেশের ছবি। এটা হলে ভগবানের আশীর্বাদে ডলারের তুলনায় টাকার মূল্য হ্রাসের ধারা অনেকটা কমতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। কেজরিওয়াল বলেন, ‘আমি যেমনটা বলেছি—দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির জন্য আমাদের অনেক চেষ্টা চালাতে হবে। আমাদের প্রচেষ্টা তখনই ফলপ্রসূ হয় যখন আমরা দেব-দেবীর আশীর্বাদ পাই। নোটের একপাশে গণেশ ও লক্ষ্মীর ছবি এবং অন্যপাশে গান্ধীর ছবি থাকলে পুরো দেশই আশীর্বাদ পাবে।’
কেজরিওয়ালের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মূল্যায়ন, বিজেপির হিন্দু ভোট ব্যাংকের ভাগ নিতেই অরবিন্দ কেজরিওয়াল এ ধরনের দাবি তুলেছেন। তবে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফ থেকে গান্ধীর বদলে ভারতীয় রুপিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি ছাপানোর দাবি উঠেছে। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামী এই দাবি তুলেছেন। উল্লেখ্য, এই সংগঠনটিই গত দুর্গা পূজার সময় অসুরকে গান্ধীর রূপে সাজিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন।
বিশ্ব খবর সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
১০ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
১১ ঘণ্টা আগে