Ajker Patrika

‘ডিপফেক’ ঠেকাতে নিজ কণ্ঠের স্বত্ব চাইলেন মেলোনি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২২: ৪২
‘ডিপফেক’ ঠেকাতে নিজ কণ্ঠের স্বত্ব চাইলেন মেলোনি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেকের ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজের কণ্ঠকে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অফিসে (ইইউআইপিও) এ জন্য আবেদন করেছেন তিনি।

আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত ইইউআইপিও-র নথি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মেলোনির কার্যালয়ও তাঁর আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ৫ অক্টোবরেই করা ওই আবেদনের সঙ্গে মেলোনির নিজের কণ্ঠে প্রায় চার সেকেন্ডের একটি অডিও রেকর্ডিং যুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনি ইতালীয় ভাষায় দুবার বলেন, ‘আমি জর্জিয়া মেলোনি।’

‘ইও সোনো জর্জিয়া’—ইতালীয় ভাষায় যার অর্থ ‘আমি জর্জিয়া’। এটি মেলোনির ২০২১ সালে প্রকাশিত আত্মজীবনীর নামও। ২০১৯ সালে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে দেওয়া তাঁর বহুল আলোচিত বক্তব্য থেকে এই বাক্যটি জনপ্রিয় হয়। পরে এটিকে নিয়ে একটি ডিস্কো গানও তৈরি হয়েছিল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেলোনিকে নিয়ে একাধিক কারসাজি করা ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে এমন একটি ছবিও ছিল, যেখানে তাঁকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় বিছানায় বসে থাকতে দেখা যায়। ছবিটি সম্পাদিত হলেও বিভিন্ন সময়ে সেটিকে সত্যিকারের ছবি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

মেলোনি এসব কনটেন্টকে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো এবং ব্যক্তিকে টার্গেট করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নিন্দা করেছেন। অনলাইনে কোনো কনটেন্ট শেয়ার করার আগে সেটি যাচাই করার জন্য ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। মেলোনির ভাষ্য, তিনি নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হলেও অনেকের পক্ষে তা সম্ভব নয়।

তবে মেলোনির কণ্ঠের ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের আবেদনটি এখনো পরীক্ষাধীন। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনটি অনুমোদিত হলেও এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই-নির্মিত ডিপফেকে তাঁর কণ্ঠ ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। তবে কণ্ঠস্বর নকল করতে চাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এর আগে ২০২৪ সালে মেলোনি সার্ডিনিয়ার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করেন। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি মেলোনির মুখ ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক ডিপফেক ছবি তৈরি করে অনলাইনে প্রকাশ করেছিলেন। মামলাটি এখনো ইতালির একটি আদালতে বিচারাধীন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত