
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ক্যামডেন কাউন্সিলের সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাজমা রহমান। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে এসে ‘নিখোঁজ’ হয়ে গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন তাঁর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। ক্যামডেন কাউন্সিল তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়ে জানলেও গণমাধ্যমকে তথ্য দিতে রাজি হচ্ছে না বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ক্যামডেন সিটিজেন।
গত সপ্তাহে ক্যামডেন কাউন্সিলের বৈঠকে দীর্ঘদিন পর নাজমা রহমানের ফিরে আসার ঘোষণা দেওয়া হয়। কাউন্সিলের আইনজীবী অ্যান্ড্রু মফান বৈঠকে উপস্থিত কাউন্সিল সদস্যদের প্রতি আরজি জানান যেন, দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য নাজমা রহমানকে পদচ্যুত করা না হয়। নাজমা রহমান ক্যামডেনের ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টিড থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলর।
অ্যান্ড্রু মফান কাউন্সিলে দাখিল করা তাঁর আরজিতে জানান, চলতি গ্রীষ্মে নাজমা রহমান তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়ে যান। মফান তাঁর আরজিতে উল্লেখ করেন, ‘তাঁর (নাজমা) পরিবারকে সরাসরি সহিংস হুমকি দেওয়া হয় এবং তিনি আত্মগোপনে চলে যান। যার কারণে, যুক্তরাজ্যে ফেরা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।’
এই আরজি জানানোর পর নাজমা রহমান নিজেই কাউন্সিলের বৈঠকে উপস্থিত হন এবং অ্যান্ড্রু মফান তাঁর আরজি প্রত্যাহার করে নেন। যে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত একজন কাউন্সিলর কাউন্সিলের বৈঠকে উপস্থিত না থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয় সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার আগেই হাজির হন নাজমা।
এদিকে, ক্যামডেন কাউন্সিলের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, নাজমা রহমান ‘নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন’ এবং কাউন্সিলের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে যোগ দেওয়া শুরু করেছেন। তবে কবে থেকে কাউন্সিল নাজমা রহমানের অনুপস্থিতির ব্যাপারে অবগত সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি মুখপাত্র।
উল্লেখ্য, কাউন্সিলর নাজমা রহমানের স্বামী আজাদুর রহমান আজাদ বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন ঘটে। ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে দেশত্যাগ করেন। আজাদ সিলেট সিটি করপোরেশনের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অপরদিকে, কাউন্সিলর নাজমা রহমানের স্বামীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁর যুক্তরাজ্যে ফিরতে কী কারণে এবং কী ধরনের অসুবিধা হচ্ছিল—সে সম্পর্কে জানতে চাইলে মুখপাত্র মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ক্যামডেন কাউন্সিলের সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাজমা রহমান। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশে এসে ‘নিখোঁজ’ হয়ে গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন তাঁর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর তাঁর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। ক্যামডেন কাউন্সিল তাঁর অনুপস্থিতির বিষয়ে জানলেও গণমাধ্যমকে তথ্য দিতে রাজি হচ্ছে না বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ক্যামডেন সিটিজেন।
গত সপ্তাহে ক্যামডেন কাউন্সিলের বৈঠকে দীর্ঘদিন পর নাজমা রহমানের ফিরে আসার ঘোষণা দেওয়া হয়। কাউন্সিলের আইনজীবী অ্যান্ড্রু মফান বৈঠকে উপস্থিত কাউন্সিল সদস্যদের প্রতি আরজি জানান যেন, দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য নাজমা রহমানকে পদচ্যুত করা না হয়। নাজমা রহমান ক্যামডেনের ওয়েস্ট হ্যাম্পস্টিড থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলর।
অ্যান্ড্রু মফান কাউন্সিলে দাখিল করা তাঁর আরজিতে জানান, চলতি গ্রীষ্মে নাজমা রহমান তাঁর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়ে যান। মফান তাঁর আরজিতে উল্লেখ করেন, ‘তাঁর (নাজমা) পরিবারকে সরাসরি সহিংস হুমকি দেওয়া হয় এবং তিনি আত্মগোপনে চলে যান। যার কারণে, যুক্তরাজ্যে ফেরা তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।’
এই আরজি জানানোর পর নাজমা রহমান নিজেই কাউন্সিলের বৈঠকে উপস্থিত হন এবং অ্যান্ড্রু মফান তাঁর আরজি প্রত্যাহার করে নেন। যে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত একজন কাউন্সিলর কাউন্সিলের বৈঠকে উপস্থিত না থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হয় সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার আগেই হাজির হন নাজমা।
এদিকে, ক্যামডেন কাউন্সিলের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, নাজমা রহমান ‘নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন’ এবং কাউন্সিলের সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে যোগ দেওয়া শুরু করেছেন। তবে কবে থেকে কাউন্সিল নাজমা রহমানের অনুপস্থিতির ব্যাপারে অবগত সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি মুখপাত্র।
উল্লেখ্য, কাউন্সিলর নাজমা রহমানের স্বামী আজাদুর রহমান আজাদ বাংলাদেশে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন ঘটে। ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে দেশত্যাগ করেন। আজাদ সিলেট সিটি করপোরেশনের চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
অপরদিকে, কাউন্সিলর নাজমা রহমানের স্বামীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁর যুক্তরাজ্যে ফিরতে কী কারণে এবং কী ধরনের অসুবিধা হচ্ছিল—সে সম্পর্কে জানতে চাইলে মুখপাত্র মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে