
ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ইউক্রেন দূতাবাসে উড়ো পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এসব পার্সেলের কোনোটিতে বিস্ফোরক, আবার কোনোটিতে বিভিন্ন পশুর রক্তাক্ত চোখ পাঠানো হয়েছে। তবে কে বা কারা এসব পার্সেল পাঠিয়েছে, তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি এখনো। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ১৭টি দূতাবাস কনস্যুলেটে এসব পার্সেল পাঠানো হয়েছে। কুলেবা জানিয়েছেন—স্পেনে অবস্থিত ইউক্রেন দূতাবাস প্রথম এমন পার্সেল পায়। এরপর হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি, অস্ট্রিয়াতে ইউক্রেন দূতাবাস এবং নেপলস ও ক্রাকোতে অবস্থিত ইউক্রেনের কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয় এমন পার্সেল পেয়েছে।
কুলেবা গতকাল শুক্রবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘ভীতি ছড়াতেই এ ধরনের কাজ করা হয়েছে।’ তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেনের মোট ১৭টি দূতাবাস ও কনস্যুলেটে এমন পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এসব পার্সেলের কোনোটায় বোমা হামলার মিথ্যা হুমকি আবার কোনোটায় ছিল গরু বা শূরসহ বিভিন্ন প্রাণীর রক্তাক্ত চোখ।’
কুলেবা আরও বলেছেন, ‘এটি শুরু হয়েছিল স্পেনে অবস্থিত ইউক্রেন দূতাবাসে একটি বিস্ফোরক সংবলিত চিঠি পাঠিয়ে। এবং এর পরপরই আরও কয়েকটি অবস্থানে এমন উড়ো পার্সেল পাঠানো হয়। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত। বলতে পারেন, এটি খুবই নোংরা কাজ।’
এদিকে সন্দেহজনক পার্সেল পাওয়ার পর ইউরোপে ইউক্রেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো কঠোর নিরাপত্তার আওতায় এনেছে। গত শুক্রবার চেক প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শহর ব্রনোতে ইউক্রেনীয় কনস্যুলেটে কোনো একটি প্রাণীর অঙ্গসহ একটি সন্দেহজনক পার্সেল পাওয়ার পরপরই সেটিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে খালি করা হয় বলে জানিয়েছে চেক পুলিশ।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ইউক্রেন দূতাবাসে উড়ো পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এসব পার্সেলের কোনোটিতে বিস্ফোরক, আবার কোনোটিতে বিভিন্ন পশুর রক্তাক্ত চোখ পাঠানো হয়েছে। তবে কে বা কারা এসব পার্সেল পাঠিয়েছে, তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি এখনো। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ১৭টি দূতাবাস কনস্যুলেটে এসব পার্সেল পাঠানো হয়েছে। কুলেবা জানিয়েছেন—স্পেনে অবস্থিত ইউক্রেন দূতাবাস প্রথম এমন পার্সেল পায়। এরপর হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি, অস্ট্রিয়াতে ইউক্রেন দূতাবাস এবং নেপলস ও ক্রাকোতে অবস্থিত ইউক্রেনের কনস্যুলেট জেনারেলের কার্যালয় এমন পার্সেল পেয়েছে।
কুলেবা গতকাল শুক্রবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘ভীতি ছড়াতেই এ ধরনের কাজ করা হয়েছে।’ তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেনের মোট ১৭টি দূতাবাস ও কনস্যুলেটে এমন পার্সেল পাঠানো হয়েছে। এসব পার্সেলের কোনোটায় বোমা হামলার মিথ্যা হুমকি আবার কোনোটায় ছিল গরু বা শূরসহ বিভিন্ন প্রাণীর রক্তাক্ত চোখ।’
কুলেবা আরও বলেছেন, ‘এটি শুরু হয়েছিল স্পেনে অবস্থিত ইউক্রেন দূতাবাসে একটি বিস্ফোরক সংবলিত চিঠি পাঠিয়ে। এবং এর পরপরই আরও কয়েকটি অবস্থানে এমন উড়ো পার্সেল পাঠানো হয়। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত। বলতে পারেন, এটি খুবই নোংরা কাজ।’
এদিকে সন্দেহজনক পার্সেল পাওয়ার পর ইউরোপে ইউক্রেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো কঠোর নিরাপত্তার আওতায় এনেছে। গত শুক্রবার চেক প্রজাতন্ত্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শহর ব্রনোতে ইউক্রেনীয় কনস্যুলেটে কোনো একটি প্রাণীর অঙ্গসহ একটি সন্দেহজনক পার্সেল পাওয়ার পরপরই সেটিকে সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে খালি করা হয় বলে জানিয়েছে চেক পুলিশ।

এমিরেটলিকস নামের এক অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, গাজায় চলমান যুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে লোহিত সাগর এলাকায় নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক
৩১ মিনিট আগে
তাঁর গায়ে ছিল লম্বা কালো ওভারকোট। ভিডিওতে দেখা যায়, নিচ থেকে কিছু চিৎকার শোনার পর ট্রাম্প কারখানার মেঝেতে থাকা ওই বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে তাকান। এরপর তিনি বিরক্ত মুখভঙ্গিতে কয়েকটি কড়া শব্দ বলেন এবং মাঝের আঙুল তুলে দেখান। এ সময় তাঁকে ওই ব্যক্তির উদ্দেশে ‘এফ-বম্ব’ তথা ‘ফাক ইউ’ উচ্চারণ করতে
১ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর ভিসা নীতি এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর নানাবিধ বিধিনিষেধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বেড়েছে। গত শুক্রবার হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। বাণিজ্য
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে