
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গেছেন পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রীরা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার একটি বিশেষ ট্রেনে করে ওই তিন নেতা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কিয়েভ পৌঁছান। তিন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কিয়েভ সফরকে ‘সমর্থনের শক্তিশালী চিহ্ন’ বলে প্রশংসা করেছেন জেলেনস্কি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল এই টুইটে ওই তিন প্রধানমন্ত্রীকে ‘সত্যিকারের বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে তাঁদের সাহসের প্রশংসা করে লিখেন, ‘প্রধানমন্ত্রীরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কিয়েভ এসেছিলেন।’
শ্যামিহাল তাঁর টুইটে আরও লিখেন, তাঁরা (তিন দেশের প্রধানমন্ত্রী) ইউক্রেনকে সমর্থন ও রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী মাতেউস মোরাভিয়েস্কি তাঁর সফরসঙ্গী প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনারত একাধিক ছবি টুইট করে লিখেছেন, ‘এটিই সেই যুদ্ধ-বিধ্বস্ত কিয়েভ, এখানে ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। এটি সেই জায়গা এখানেই অত্যাচারীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা ফিরে আনার চেষ্টা চলছে। এখানেই আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে।’
এ দিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীদের কিয়েভে এক বৈঠকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জেলেনস্কি তাঁর টেলিগ্রাম চ্যানেলে বৈঠকের দুই মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তাতে বলেছেন, ‘ইউক্রেনের এই কঠিন সময়ে কিয়েভে আপনাদের “সফর সমর্থনের একটি শক্তিশালী চিহ্ন”। আমরা আন্তরিকভাবে এর প্রশংসা করি।’

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গেছেন পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রীরা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার একটি বিশেষ ট্রেনে করে ওই তিন নেতা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কিয়েভ পৌঁছান। তিন দেশের প্রধানমন্ত্রীর কিয়েভ সফরকে ‘সমর্থনের শক্তিশালী চিহ্ন’ বলে প্রশংসা করেছেন জেলেনস্কি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল এই টুইটে ওই তিন প্রধানমন্ত্রীকে ‘সত্যিকারের বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে তাঁদের সাহসের প্রশংসা করে লিখেন, ‘প্রধানমন্ত্রীরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কিয়েভ এসেছিলেন।’
শ্যামিহাল তাঁর টুইটে আরও লিখেন, তাঁরা (তিন দেশের প্রধানমন্ত্রী) ইউক্রেনকে সমর্থন ও রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী মাতেউস মোরাভিয়েস্কি তাঁর সফরসঙ্গী প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনারত একাধিক ছবি টুইট করে লিখেছেন, ‘এটিই সেই যুদ্ধ-বিধ্বস্ত কিয়েভ, এখানে ইতিহাস তৈরি হচ্ছে। এটি সেই জায়গা এখানেই অত্যাচারীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা ফিরে আনার চেষ্টা চলছে। এখানেই আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ ঝুলে আছে।’
এ দিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রীদের কিয়েভে এক বৈঠকে স্বাগত জানিয়েছেন।
জেলেনস্কি তাঁর টেলিগ্রাম চ্যানেলে বৈঠকের দুই মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তাতে বলেছেন, ‘ইউক্রেনের এই কঠিন সময়ে কিয়েভে আপনাদের “সফর সমর্থনের একটি শক্তিশালী চিহ্ন”। আমরা আন্তরিকভাবে এর প্রশংসা করি।’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৩ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে