
যুদ্ধ শেষ করতে প্রয়োজনে ইউক্রেনের উচিত রাশিয়ার কাছে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া। সোমবার সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই কথা বলা হয়েছে।
প্রায় তিন মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ অধিকাংশ ইউক্রেনীয় নাগরিকেরই অপছন্দ এবং তাঁরা এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে উল্লেখ করে কিসিঞ্জার বলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনের উচিত রাশিয়ার কাছে কিছু ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া।
এ সময় কিসিঞ্জার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার যে অপমানজনক পরাজয় আশা করছে তা দীর্ঘ মেয়াদে ইউরোপের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। পশ্চিমা বিশ্বের এই বিষয়টি উপলব্ধি করা উচিত যে—রাশিয়া ইউরোপের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই পশ্চিমের উচিত হবে না ‘তড়িঘড়ি’ কোনো সিদ্ধান্তে আসা। এ সময়, তিনি পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানান যে—তারা যেন ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ‘পূর্বতন স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস ক্যু)’ ফিরিয়ে আনতে আলোচনায় চাপ প্রয়োগ করে।
কিসিঞ্জার বলেন, ‘এই আলোচনা আগামী দুই মাসের মধ্যে শুরু হতে হবে, পরিস্থিতি সমাধান অযোগ্য হয়ে যাওয়ার আগেই। আদর্শগতভাবে, দুই দেশের মধ্যকার বিভাজন তুলে ফেলে সম্পর্ক আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই যুদ্ধ আসলে কেবল ইউক্রেনের স্বাধীনতার বিষয়েই নয় বরং একই সঙ্গে তা রাশিয়ার নিজের বিরুদ্ধেও একটি নতুন যুদ্ধ।’
কিসিঞ্জার প্রস্তাবিত স্ট্যাটাস ক্যু-এর আর্থ হলো রাশিয়া যেমন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে তা করতে থাকবে এবং প্রয়োজনে ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল দনবাসের দনেৎস্ক ও লুহানস্কও নিয়ন্ত্রণ করবে অনানুষ্ঠানিকভাবে। তবে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পূর্বশর্ত হলো—দুই দেশই তাদের মধ্যকার আগের সীমানায় ফিরে যাবে। যার সহজ অর্থ রাশিয়া ইউক্রেনের অভ্যন্তরে যা দখল করেছে তার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যেতে হবে।

যুদ্ধ শেষ করতে প্রয়োজনে ইউক্রেনের উচিত রাশিয়ার কাছে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া। সোমবার সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই কথা বলা হয়েছে।
প্রায় তিন মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ অধিকাংশ ইউক্রেনীয় নাগরিকেরই অপছন্দ এবং তাঁরা এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে উল্লেখ করে কিসিঞ্জার বলেন, প্রয়োজনে ইউক্রেনের উচিত রাশিয়ার কাছে কিছু ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া।
এ সময় কিসিঞ্জার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা বিশ্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার যে অপমানজনক পরাজয় আশা করছে তা দীর্ঘ মেয়াদে ইউরোপের স্থিতিশীলতাকে নষ্ট করবে। পশ্চিমা বিশ্বের এই বিষয়টি উপলব্ধি করা উচিত যে—রাশিয়া ইউরোপের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই পশ্চিমের উচিত হবে না ‘তড়িঘড়ি’ কোনো সিদ্ধান্তে আসা। এ সময়, তিনি পশ্চিমা বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানান যে—তারা যেন ইউক্রেনকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ‘পূর্বতন স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাস ক্যু)’ ফিরিয়ে আনতে আলোচনায় চাপ প্রয়োগ করে।
কিসিঞ্জার বলেন, ‘এই আলোচনা আগামী দুই মাসের মধ্যে শুরু হতে হবে, পরিস্থিতি সমাধান অযোগ্য হয়ে যাওয়ার আগেই। আদর্শগতভাবে, দুই দেশের মধ্যকার বিভাজন তুলে ফেলে সম্পর্ক আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই যুদ্ধ আসলে কেবল ইউক্রেনের স্বাধীনতার বিষয়েই নয় বরং একই সঙ্গে তা রাশিয়ার নিজের বিরুদ্ধেও একটি নতুন যুদ্ধ।’
কিসিঞ্জার প্রস্তাবিত স্ট্যাটাস ক্যু-এর আর্থ হলো রাশিয়া যেমন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রিমিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে তা করতে থাকবে এবং প্রয়োজনে ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল দনবাসের দনেৎস্ক ও লুহানস্কও নিয়ন্ত্রণ করবে অনানুষ্ঠানিকভাবে। তবে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনার পূর্বশর্ত হলো—দুই দেশই তাদের মধ্যকার আগের সীমানায় ফিরে যাবে। যার সহজ অর্থ রাশিয়া ইউক্রেনের অভ্যন্তরে যা দখল করেছে তার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে যেতে হবে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
১ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
১ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৪ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৪ ঘণ্টা আগে