
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানী ক্যামিলা দক্ষিণ এশিয়া সফরের পরিকল্পনা করেছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে তাঁরা ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফর করতে পারেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।
ডেইলি মিরর রাজ পরিবারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘এমন একটি সফরের পরিকল্পনা করা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। রাজা ও রানির দক্ষিণ এশিয়া সফর কেবল ব্রিটেনের জন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি বৈশ্বিক মঞ্চে আমাদের দেশের কৌশলগত অবস্থানকেও মজবুত করবে।’
গত ফেব্রুয়ারিতে রাজার ক্যানসার আক্রান্তের খবরটি প্রকাশ্যে আনে বাকিংহাম প্যালেস। তবে চিকিৎসকেরা জানান, রাজার চিকিৎসা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তিনি আগামী বছর সফরে যেতে পারবেন।
সম্প্রতি জি-২০ সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এরই প্রেক্ষাপটে, ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেন-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে রাজপরিবারের সদস্যদের একটি ‘কূটনৈতিক মিশনে’ পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ডেইলি মিরর আরও জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সম্ভাব্য সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত সফরের খসড়াও তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজা-রানির জন্য একটি সফর আয়োজন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এর আগে ২০১৯ সালে রাজা ভারত সফর করেছিলেন। সে সফরের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন, স্থায়িত্ব এবং সামাজিক অর্থনীতি।
গত অক্টোবরে সামোয়া থেকে ফেরার পথে বেঙ্গালুরুর সোকিয়া ইন্টারন্যাশনাল হোলিস্টিক হেলথ সেন্টারে একটি যাত্রাবিরতি দেন রাজা তৃতীয় চার্লস। দীর্ঘ সফরের পর বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি এই যাত্রাবিরতি দিয়েছিলেন।

ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানী ক্যামিলা দক্ষিণ এশিয়া সফরের পরিকল্পনা করেছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে তাঁরা ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সফর করতে পারেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর।
ডেইলি মিরর রাজ পরিবারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘এমন একটি সফরের পরিকল্পনা করা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। রাজা ও রানির দক্ষিণ এশিয়া সফর কেবল ব্রিটেনের জন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটি বৈশ্বিক মঞ্চে আমাদের দেশের কৌশলগত অবস্থানকেও মজবুত করবে।’
গত ফেব্রুয়ারিতে রাজার ক্যানসার আক্রান্তের খবরটি প্রকাশ্যে আনে বাকিংহাম প্যালেস। তবে চিকিৎসকেরা জানান, রাজার চিকিৎসা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। তিনি আগামী বছর সফরে যেতে পারবেন।
সম্প্রতি জি-২০ সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক হয়। এরই প্রেক্ষাপটে, ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেন-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে রাজপরিবারের সদস্যদের একটি ‘কূটনৈতিক মিশনে’ পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ডেইলি মিরর আরও জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সম্ভাব্য সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত সফরের খসড়াও তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাজা-রানির জন্য একটি সফর আয়োজন করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
এর আগে ২০১৯ সালে রাজা ভারত সফর করেছিলেন। সে সফরের মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন, স্থায়িত্ব এবং সামাজিক অর্থনীতি।
গত অক্টোবরে সামোয়া থেকে ফেরার পথে বেঙ্গালুরুর সোকিয়া ইন্টারন্যাশনাল হোলিস্টিক হেলথ সেন্টারে একটি যাত্রাবিরতি দেন রাজা তৃতীয় চার্লস। দীর্ঘ সফরের পর বিশ্রাম নেওয়ার জন্য ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি এই যাত্রাবিরতি দিয়েছিলেন।

ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো শিগগির দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করেছেন। নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে দেওয়া
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেও রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানিতে ভারত এখনো শক্ত অবস্থানে। সাম্প্রতিক ছয় মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও মোট আমদানির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এখনো রুশ তেল থেকেই আসছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের পর লাতিন আমেরিকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। এক কড়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘এসে ধরুন আমাকে। আমি এখানেই আপনাদের জন্য
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ‘ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোর মতো অপহরণ করতে পারেন কি না’—এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চবন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই মন্তব্যকে অনেকেই ‘অবাস্তব’, ‘হাস্যকর’ ও ‘দেশের জন্য অপমানজনক’ বলে
১০ ঘণ্টা আগে