
রাশিয়ায় আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন আবারও দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারেন। এরই মধ্যে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এবার জিতলে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হবেন তিনি। দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ মার্চ।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ফেডারেশন কাউন্সিলের সদস্যরা ডিক্রি জারির জন্য সর্বসম্মতভাবে ভোট দেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন পুতিন।
স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনে লড়াইরত রুশ সৈন্যদের বীরত্বসূচক ‘হিরো অব রাশিয়া’ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে পুতিন তাঁর নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে জানান দেন। দেনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের আর্তিওম ঝোগাকে হিরো অব রাশিয়া পদকে ভূষিত করা হয় এদিন। সম্প্রতি তিনি রাশিয়ান ফেডারেল সাবজেক্টস পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। ঝোগা অনুষ্ঠানে পুতিনকে আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে পুতিন ইতিবাচক জবাব দেন।
পুরস্কার বিতরণী ওই অনুষ্ঠানের ফুটেজে দেখা যায়, ঝোগা পুতিনের সঙ্গে করমর্দন করছেন এবং তাঁকে বলছেন, ‘পুরো দনবাস আপনাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী হিসেবে করতে চায়। আপনার কর্মের জন্য ধন্যবাদ...আমরা স্বাধীন হয়েছি, আমরা বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি...আপনি আমাদের প্রেসিডেন্ট...আমরা আপনার দল। আমাদের আপনাকে প্রয়োজন, রাশিয়ার আপনাকে প্রয়োজন।’
প্রশংসার জন্য ঝোগাকে ধন্যবাদ জানিয়ে পুতিন বলেন, এ বিষয়ে তাঁর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চিন্তাভাবনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমি রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছি।’
দেশটির সংবিধান সংস্কার করায় পুতিন তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ করে আরও দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য। সে ক্ষেত্রে ছয় বছর করে পরপর দুই মেয়াদে টানা ২০৩৬ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন পুতিন। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন পুতিন। ফলে আগামী মার্চের নির্বাচনে পুতিনের জয় একেবারে নিশ্চিত। পুতিনবিরোধীদের রাশিয়া ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে অথবা কারাবন্দী করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে স্বাধীন গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি দেখা যায়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ছাড়া আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আগামী নির্বাচনে লড়বেন এমন সম্ভাবনা খুব কম। এটি এখনো পরিষ্কার নয়, আগামী নির্বাচনে কে পুতিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে এগিয়ে আসবেন।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার এক অনলাইন বিবৃতিতে দেশটির কারাবন্দী বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনি নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তাঁরা যেন পুতিন ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দেন। এরই মধ্যে দুই ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁরা হলেন দেশটির সাবেক আইনপ্রণেতা বরিস নাদেজদিন এবং সাংবাদিক ও আইনজীবী ইয়েকাতেরিনা দুন্তসোভা। নাভালনি আরও বলেন, পুরো রাশিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছা হলো পুতিনকে সরে যেতে হবে।

রাশিয়ায় আগামী বছরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন আবারও দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পারেন। এরই মধ্যে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এবার জিতলে এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো দেশটির প্রেসিডেন্ট হবেন তিনি। দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ মার্চ।
রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ফেডারেশন কাউন্সিলের সদস্যরা ডিক্রি জারির জন্য সর্বসম্মতভাবে ভোট দেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন পুতিন।
স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনে লড়াইরত রুশ সৈন্যদের বীরত্বসূচক ‘হিরো অব রাশিয়া’ পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে পুতিন তাঁর নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে জানান দেন। দেনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের আর্তিওম ঝোগাকে হিরো অব রাশিয়া পদকে ভূষিত করা হয় এদিন। সম্প্রতি তিনি রাশিয়ান ফেডারেল সাবজেক্টস পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। ঝোগা অনুষ্ঠানে পুতিনকে আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে পুতিন ইতিবাচক জবাব দেন।
পুরস্কার বিতরণী ওই অনুষ্ঠানের ফুটেজে দেখা যায়, ঝোগা পুতিনের সঙ্গে করমর্দন করছেন এবং তাঁকে বলছেন, ‘পুরো দনবাস আপনাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী হিসেবে করতে চায়। আপনার কর্মের জন্য ধন্যবাদ...আমরা স্বাধীন হয়েছি, আমরা বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি...আপনি আমাদের প্রেসিডেন্ট...আমরা আপনার দল। আমাদের আপনাকে প্রয়োজন, রাশিয়ার আপনাকে প্রয়োজন।’
প্রশংসার জন্য ঝোগাকে ধন্যবাদ জানিয়ে পুতিন বলেন, এ বিষয়ে তাঁর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চিন্তাভাবনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমি রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছি।’
দেশটির সংবিধান সংস্কার করায় পুতিন তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ করে আরও দুই মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য। সে ক্ষেত্রে ছয় বছর করে পরপর দুই মেয়াদে টানা ২০৩৬ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেন পুতিন। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন পুতিন। ফলে আগামী মার্চের নির্বাচনে পুতিনের জয় একেবারে নিশ্চিত। পুতিনবিরোধীদের রাশিয়া ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে অথবা কারাবন্দী করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশটিতে স্বাধীন গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি দেখা যায়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ছাড়া আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আগামী নির্বাচনে লড়বেন এমন সম্ভাবনা খুব কম। এটি এখনো পরিষ্কার নয়, আগামী নির্বাচনে কে পুতিনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে এগিয়ে আসবেন।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার এক অনলাইন বিবৃতিতে দেশটির কারাবন্দী বিরোধী নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনি নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তাঁরা যেন পুতিন ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দেন। এরই মধ্যে দুই ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তাঁরা হলেন দেশটির সাবেক আইনপ্রণেতা বরিস নাদেজদিন এবং সাংবাদিক ও আইনজীবী ইয়েকাতেরিনা দুন্তসোভা। নাভালনি আরও বলেন, পুরো রাশিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছা হলো পুতিনকে সরে যেতে হবে।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১৩ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৩ ঘণ্টা আগে