আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবিলায় বাড়তি দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে বার্ষিক সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত মাসের শেষ দিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে গুরুতর ও জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখে দেশকে অভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় রাখতে অনুষ্ঠানটি চালিয়ে যাওয়া এখন দুরূহ হয়ে পড়েছে।’
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানে প্রতি শরতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পালাক্রমে এই কুচকাওয়াজের আয়োজন করে। এ বছর কানাগাওয়া প্রদেশের সাগামি উপসাগরে নৌবাহিনীর অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা ছিল।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গেন নাকাতানি এ মাসের শুরুতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই অনুষ্ঠান সেনাদের মনোবল বাড়াতে এবং জনসাধারণের কাছে তাঁদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে সহায়তা করে। তবে তিনি স্বীকার করেন, প্রতিবছর এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন সেনাদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
চীন ও রাশিয়ার জাপানসংলগ্ন এলাকায় বেড়ে যাওয়া সামরিক তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে নাকাতানি বলেন, জাপানের প্রতিক্রিয়ায় ‘এক চুল ফাঁকও’ থাকা চলবে না।
তাঁর ভাষ্য, একটি কুচকাওয়াজের প্রস্তুতিতে প্রায় ৫ হাজার সদস্যের এক মাস এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতে দুই মাস সময় লাগে, যা প্রশিক্ষণের সময় কমিয়ে দেয় এবং তদারকি ও নজরদারিসহ নানাবিধ দায়িত্বে প্রভাব ফেলে।
সেনাদের ওপর চাপ কমাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুষ্ঠানটির পরিসর এরই মধ্যে ছোট করা হয়েছিল। ২০২০ সালে করোনা মহামারির পর থেকে এটি দর্শকবিহীনভাবে আয়োজন করা হচ্ছিল। প্রতিবছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধান হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দেন।
জাপানের জন্মহার ও জনসংখ্যা হ্রাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সদস্যসংকটে ভুগছে দেশটির সেনাবাহিনী।

চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবিলায় বাড়তি দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে বার্ষিক সামরিক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত মাসের শেষ দিকে এক বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে গুরুতর ও জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখে দেশকে অভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় রাখতে অনুষ্ঠানটি চালিয়ে যাওয়া এখন দুরূহ হয়ে পড়েছে।’
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানে প্রতি শরতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পালাক্রমে এই কুচকাওয়াজের আয়োজন করে। এ বছর কানাগাওয়া প্রদেশের সাগামি উপসাগরে নৌবাহিনীর অনুষ্ঠানটি আয়োজনের কথা ছিল।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গেন নাকাতানি এ মাসের শুরুতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই অনুষ্ঠান সেনাদের মনোবল বাড়াতে এবং জনসাধারণের কাছে তাঁদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে সহায়তা করে। তবে তিনি স্বীকার করেন, প্রতিবছর এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন সেনাদের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
চীন ও রাশিয়ার জাপানসংলগ্ন এলাকায় বেড়ে যাওয়া সামরিক তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে নাকাতানি বলেন, জাপানের প্রতিক্রিয়ায় ‘এক চুল ফাঁকও’ থাকা চলবে না।
তাঁর ভাষ্য, একটি কুচকাওয়াজের প্রস্তুতিতে প্রায় ৫ হাজার সদস্যের এক মাস এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতে দুই মাস সময় লাগে, যা প্রশিক্ষণের সময় কমিয়ে দেয় এবং তদারকি ও নজরদারিসহ নানাবিধ দায়িত্বে প্রভাব ফেলে।
সেনাদের ওপর চাপ কমাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনুষ্ঠানটির পরিসর এরই মধ্যে ছোট করা হয়েছিল। ২০২০ সালে করোনা মহামারির পর থেকে এটি দর্শকবিহীনভাবে আয়োজন করা হচ্ছিল। প্রতিবছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সেনাপ্রধান হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দেন।
জাপানের জন্মহার ও জনসংখ্যা হ্রাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সদস্যসংকটে ভুগছে দেশটির সেনাবাহিনী।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে