আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজধানী কাঠমান্ডুসহ নেপালের বেশ কয়েকটি শহরে দিনের বেলা জনসমাগম ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত জারি করা হয়েছে কারফিউ।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল বা অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে কারফিউ। এ সময় কোনো সাধারণ মানুষ রাস্তায় বের হতে পারবেন না।’
তবে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করেছে, জরুরি প্রয়োজনে সীমিত চলাচলের সুযোগ রাখা হবে। সকাল ৬টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টার মধ্যে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজে বের হতে পারবেন।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের ঘোষণা দেয় নেপাল সরকার। এরই জেরে গত কয়েক দিন ধরেই দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত সোমবার যা রূপ নেয় বড় আন্দোলনে। ওই আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একদিনেই নিহত হয় ১৯ জন।
১৯ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। প্রাণহানির জন্য নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করে পদত্যাগ করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী। পরদিন মঙ্গলবার পার্লামেন্ট ভবন, প্রেসিডেন্টের ভবনসহ বিভিন্ন মন্ত্রীদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষুব্ধ জনতা। দেশজুড়ে সৃষ্টি হয় চরম বিশৃঙ্খলা। লুটতরাজ-ভাঙচুর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে মৃত্যু হয় তিন পুলিশ সদস্যের।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি শান্ত না হওয়ায় গত মঙ্গলবার নেপালের দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন—সহিংস পথ পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।
পাশাপাশি, আইন ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর তারা। প্রয়োজন হলে কঠোর হতে তারা দ্বিধা করবে না বলেও জানানো হয়।

রাজধানী কাঠমান্ডুসহ নেপালের বেশ কয়েকটি শহরে দিনের বেলা জনসমাগম ও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত জারি করা হয়েছে কারফিউ।
গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল বা অপ্রয়োজনীয় চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে কারফিউ। এ সময় কোনো সাধারণ মানুষ রাস্তায় বের হতে পারবেন না।’
তবে সেনাবাহিনী স্পষ্ট করেছে, জরুরি প্রয়োজনে সীমিত চলাচলের সুযোগ রাখা হবে। সকাল ৬টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টার মধ্যে মানুষ প্রয়োজনীয় কাজে বের হতে পারবেন।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের ঘোষণা দেয় নেপাল সরকার। এরই জেরে গত কয়েক দিন ধরেই দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত সোমবার যা রূপ নেয় বড় আন্দোলনে। ওই আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একদিনেই নিহত হয় ১৯ জন।
১৯ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর পর আন্দোলন আরও তীব্র হয়ে ওঠে। প্রাণহানির জন্য নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করে পদত্যাগ করেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী। পরদিন মঙ্গলবার পার্লামেন্ট ভবন, প্রেসিডেন্টের ভবনসহ বিভিন্ন মন্ত্রীদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষুব্ধ জনতা। দেশজুড়ে সৃষ্টি হয় চরম বিশৃঙ্খলা। লুটতরাজ-ভাঙচুর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে মৃত্যু হয় তিন পুলিশ সদস্যের।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি শান্ত না হওয়ায় গত মঙ্গলবার নেপালের দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেপালের সেনাপ্রধান অশোক রাজ সিগদেল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন—সহিংস পথ পরিহার করে আলোচনার টেবিলে বসতে হবে।
পাশাপাশি, আইন ভঙ্গ করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সেনাবাহিনী। এক বিবৃতিতে সবাইকে সতর্ক করে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর তারা। প্রয়োজন হলে কঠোর হতে তারা দ্বিধা করবে না বলেও জানানো হয়।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
৪ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৭ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৭ ঘণ্টা আগে