
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ২৪০০ জনেরও বেশি। অন্যদিকে তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। সরকারি হিসাব অনুযায়ী তিব্বতে নিখোঁজ রয়েছে ৫৪৬ জন।

গত বুধবার ছিল এ দেশে ছুটির দিন, বৃহস্পতিবার কোনো সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেপালের হড়পা বানের দৃশ্যগুলো দেখে বিস্মিত হচ্ছিলাম, প্রকৃতির রুদ্ররূপ যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা ছিল সেসব দৃশ্যে।

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত কয়েক দিনের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কয়েক শ মানুষের মৃত্যু এবং হাজারের বেশি মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে পাঁচ মাস আগের দুটি গবেষণা প্রতিবেদন। কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমে

পাহাড়ি ঢলে নেপালের বিস্তীর্ণ অঞ্চল লন্ডভন্ড হওয়ার পর দেশটি থেকে ভারতীয় গ্রিড হয়ে আসা ৩৮ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ কম থাকায় এই দুই উৎস থেকেও কমেছে বিদ্যুতের জোগান। ফলে মাত্র ১৫ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদা পূরণ করতে গিয়েও ঘণ্টায় আড়াই থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট...