
হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত চীন ও ভারতের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তে টহলের বিষয়ে একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘাতকে কেন্দ্র করে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা দূর করা সম্ভব হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়টি জানিয়েছে।
এই চুক্তির বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি গতকাল সোমবার নয়া দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় ও চীনা কূটনীতিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন এবং এই আলোচনার ফলস্বরূপ ভারত-চীন সীমান্তে এলএসি বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। যা ২০২০ সালে উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সমাধানের দিকে নিয়ে গেছে।’
এলএসি বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বাংলায় যাকে বলা হয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা—মূলত ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তকে নির্দেশ করে। ভারতের উত্তর-পশ্চিমের লাদাখ থেকে পূর্ব দিকের অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীন-ভারতের মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে। এই সীমান্ত ইস্যুতে ১৯৬২ সালে দুই দেশের মধ্যে একদফা যুদ্ধ হয়েছে। একাধিকবার চীনা সেনারা এই সীমানা অতিক্রম করে ভারতে অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সময়ে নয়া দিল্লি অভিযোগ করেছে।
চুক্তির কথা বললেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি মিশ্রি। বিশেষ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে লাদাখের উত্তরে মোতায়েনকৃত হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা সে বিষয়টি জানাননি তিনি।
এই ঘোষণা এমন এক সময়ে দেওয়া হলো যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ায় শুরু হওয়া ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত ছাড়ছেন। এই শীর্ষ সম্মেলনে চীনও অংশগ্রহণ করছে। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইনে মোদি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন।
এদিকে, এই চুক্তির বিষয়টি আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন, ‘সম্প্রতি, চীন এবং ভারত দুই দেশের সীমান্তের বিষয়গুলো নিয়ে কূটনৈতিক এবং সামরিক চ্যানেলে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ করেছে। এখন দুই পক্ষ বিষয়গুলোর সমাধানে পৌঁছেছে, যা নিয়ে চীন অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
এর আগে, ২০২০ সালের জুলাইয়ে লাদাখের গালওয়ানে চীন-ভারতের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ ভারতীয় ও ৪ জন চীনা সেনা নিহত হয়। সেই ঘটনার পর ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। সেই ঘটনার পর দুই পক্ষই পার্বত্য অঞ্চলটি হাজার হাজার সেনা, আর্টিলারি, ট্যাংক এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।
চীন-ভারতের চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শংক বলেন, এই চুক্তি অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও অবিচলিত কূটনীতির ফল। এর ফলে ভারত ২০২০ সালের সংঘর্ষের আগে যেভাবে সামরিক পেট্রলিং শুরু হয়েছিল ঠিক সেভাবেই চালিয়ে যেতে পারবে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, আমরা শান্তিতে ফিরতে পারব।’

হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত চীন ও ভারতের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তে টহলের বিষয়ে একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘাতকে কেন্দ্র করে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা দূর করা সম্ভব হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়টি জানিয়েছে।
এই চুক্তির বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি গতকাল সোমবার নয়া দিল্লিতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় ও চীনা কূটনীতিক এবং সামরিক কর্মকর্তারা একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন এবং এই আলোচনার ফলস্বরূপ ভারত-চীন সীমান্তে এলএসি বরাবর টহল দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। যা ২০২০ সালে উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সমাধানের দিকে নিয়ে গেছে।’
এলএসি বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বাংলায় যাকে বলা হয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা—মূলত ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তকে নির্দেশ করে। ভারতের উত্তর-পশ্চিমের লাদাখ থেকে পূর্ব দিকের অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত চীন-ভারতের মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে। এই সীমান্ত ইস্যুতে ১৯৬২ সালে দুই দেশের মধ্যে একদফা যুদ্ধ হয়েছে। একাধিকবার চীনা সেনারা এই সীমানা অতিক্রম করে ভারতে অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে বলে বিভিন্ন সময়ে নয়া দিল্লি অভিযোগ করেছে।
চুক্তির কথা বললেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি মিশ্রি। বিশেষ দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে লাদাখের উত্তরে মোতায়েনকৃত হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা প্রত্যাহার করা হবে কিনা সে বিষয়টি জানাননি তিনি।
এই ঘোষণা এমন এক সময়ে দেওয়া হলো যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ায় শুরু হওয়া ব্রিকস জোটের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত ছাড়ছেন। এই শীর্ষ সম্মেলনে চীনও অংশগ্রহণ করছে। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনের সাইডলাইনে মোদি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন।
এদিকে, এই চুক্তির বিষয়টি আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন, ‘সম্প্রতি, চীন এবং ভারত দুই দেশের সীমান্তের বিষয়গুলো নিয়ে কূটনৈতিক এবং সামরিক চ্যানেলে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ করেছে। এখন দুই পক্ষ বিষয়গুলোর সমাধানে পৌঁছেছে, যা নিয়ে চীন অত্যন্ত সন্তুষ্ট।’
এর আগে, ২০২০ সালের জুলাইয়ে লাদাখের গালওয়ানে চীন-ভারতের সামরিক বাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ ভারতীয় ও ৪ জন চীনা সেনা নিহত হয়। সেই ঘটনার পর ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। সেই ঘটনার পর দুই পক্ষই পার্বত্য অঞ্চলটি হাজার হাজার সেনা, আর্টিলারি, ট্যাংক এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।
চীন-ভারতের চুক্তির বিষয়ে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণম জয়শংক বলেন, এই চুক্তি অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও অবিচলিত কূটনীতির ফল। এর ফলে ভারত ২০২০ সালের সংঘর্ষের আগে যেভাবে সামরিক পেট্রলিং শুরু হয়েছিল ঠিক সেভাবেই চালিয়ে যেতে পারবে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, আমরা শান্তিতে ফিরতে পারব।’

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১৬ মিনিট আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৩ ঘণ্টা আগে