
এবার ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ‘গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত ধাপের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ’র বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
স্থানীয় সময় সোমবার কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, উত্তর কোরিয়ার জাতীয় মহাকাশ উন্নয়ন প্রশাসন রোববার (১৮ ডিসেম্বর) এ পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির উত্তর পিয়ংগান প্রদেশের চোলসান এলাকার সোহাই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা চালানো হয়।
কেসিএনএ’র তথ্য অনুযায়ী, একাধিক ক্যামেরা, ইমেজ ট্রান্সমিটার ও রিসিভার, নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস, স্টোরেজ ব্যাটারিসহ ৫০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। স্যাটেলাইটে ছবি ধারণের সক্ষমতা, ডেটা সঞ্চালন ও গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেম পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে এ পরীক্ষা চালানো হয়।
উত্তর কোরিয়ার মহাকাশ প্রশাসনের মুখপাত্র কেসিএনএকে বলেন, ‘আমরা গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত নির্দেশক যেমন—মহাকাশ পরিবেশে ক্যামেরা অপারেটিং প্রযুক্তি, ডেটা সঞ্চালন এবং যোগাযোগ ডিভাইসের সঞ্চালন ক্ষমতা, গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের ট্র্যাকিং এবং নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছি।’
ওই মুখপাত্র আরও জানান, ২০২৩ সালের এপ্রিল নাগাদ প্রথম সামরিক ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে উত্তর কোরিয়া।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ বলেছে, রাজধানী সিউল ও পার্শ্ববর্তী শহর ইনচিওনের স্যাটেলাইট চিত্রও প্রকাশ করেছে কেসিএনএ। ছবিগুলো ওই ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ থেকেই তোলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে সমুদ্রের দিকে দুটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নিজে তত্ত্বাবধান করেছেন। এ দুটি ক্ষেপণাস্ত্র টংচাং-রির সোহাই স্যাটেলাইট লঞ্চিং গ্রাউন্ড থেকে পরিচালনা করা হয়েছে।

এবার ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের ‘গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত ধাপের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ’র বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
স্থানীয় সময় সোমবার কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, উত্তর কোরিয়ার জাতীয় মহাকাশ উন্নয়ন প্রশাসন রোববার (১৮ ডিসেম্বর) এ পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির উত্তর পিয়ংগান প্রদেশের চোলসান এলাকার সোহাই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা চালানো হয়।
কেসিএনএ’র তথ্য অনুযায়ী, একাধিক ক্যামেরা, ইমেজ ট্রান্সমিটার ও রিসিভার, নিয়ন্ত্রণ ডিভাইস, স্টোরেজ ব্যাটারিসহ ৫০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। স্যাটেলাইটে ছবি ধারণের সক্ষমতা, ডেটা সঞ্চালন ও গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেম পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে এ পরীক্ষা চালানো হয়।
উত্তর কোরিয়ার মহাকাশ প্রশাসনের মুখপাত্র কেসিএনএকে বলেন, ‘আমরা গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত নির্দেশক যেমন—মহাকাশ পরিবেশে ক্যামেরা অপারেটিং প্রযুক্তি, ডেটা সঞ্চালন এবং যোগাযোগ ডিভাইসের সঞ্চালন ক্ষমতা, গ্রাউন্ড কন্ট্রোল সিস্টেমের ট্র্যাকিং এবং নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছি।’
ওই মুখপাত্র আরও জানান, ২০২৩ সালের এপ্রিল নাগাদ প্রথম সামরিক ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে উত্তর কোরিয়া।
এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ বলেছে, রাজধানী সিউল ও পার্শ্ববর্তী শহর ইনচিওনের স্যাটেলাইট চিত্রও প্রকাশ করেছে কেসিএনএ। ছবিগুলো ওই ‘স্পাই স্যাটেলাইট’ থেকেই তোলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূল থেকে সমুদ্রের দিকে দুটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নিজে তত্ত্বাবধান করেছেন। এ দুটি ক্ষেপণাস্ত্র টংচাং-রির সোহাই স্যাটেলাইট লঞ্চিং গ্রাউন্ড থেকে পরিচালনা করা হয়েছে।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
৫ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
৬ ঘণ্টা আগে