
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সমর্থক গায়িকা লিলি নাইং কিয়াও গুলিতে আহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর ইয়াঙ্গুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর এই মৃত্যু শুধু সামরিক সরকারের সমর্থকদেরই নয়, এই সরকারের মিডিয়ায় কর্মরত অন্য সেলিব্রেটিদেরও মর্মাহত করেছে।
৫৮ বছর বয়সী এই গায়িকার মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের উর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। তিনি সামরিক সরকারকে বিদ্রোহীদের ব্যাপারে নানা তথ্য দিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা একটি শহুরে গেরিলা বাহানীর সদস্য ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্য একজনের দুই আত্মীয়কে হত্যা করা হয়। সামরিক সরকার এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ডি নিয়েন লিন নামের ছাত্রনেতাকেও অভিযুক্ত করেছে।
মিয়ানমারে সম্প্রতি সামরিক সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সমর্থকদের হত্যা করছে গেরিলারা। গায়িকা কিয়াওয়ের হত্যাকাণ্ড এরই একটি।
কিয়াওয়ের ওপর হামলার চার দিন আগে মিয়ানমারের জাতীয়তাবাদী ও সামরিক সরকারের সমর্থক টিন্ট লিউইনকে ইয়াঙ্গুনের একটি চায়ের দোকানে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগে গত গ্রীষ্মে হামলার শিকারের পর থেকে তিনি পালিয়ে বেড়াতেন।
গায়িকা কিয়াওকে গত ৩০ মে ইয়াঙ্গুনের ইয়ানকিন টাউনশিপে তাঁর বাড়ির পাশে গুলি করে গেরিলারা। গুলির পর তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাই ধারণা করেছিল তিনি মারা গেছেন। কিন্তু পরে তাঁকে হাসপাতেলে নেওয়া হলে গত ৬ জুন তিনি কমায় চলে যান। তাঁর পরিবার বিবিসিকে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
কিয়াওয়ের মৃত্যুতে মিয়ানমারের সামরিক সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একজন নিষ্পাপ নারীকে অমানবিকভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সামরিক সরকারের সমর্থক অন্য ১৭টি সংগঠনও এ ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে। মা বা থা নামের একটি জাতীয়তাবাদী বোড্ডিস্ট সংগঠন কড়া নিরাপত্তা দাবি করেছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সমর্থক গায়িকা লিলি নাইং কিয়াও গুলিতে আহত হওয়ার এক সপ্তাহ পর ইয়াঙ্গুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর এই মৃত্যু শুধু সামরিক সরকারের সমর্থকদেরই নয়, এই সরকারের মিডিয়ায় কর্মরত অন্য সেলিব্রেটিদেরও মর্মাহত করেছে।
৫৮ বছর বয়সী এই গায়িকার মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের উর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল। তিনি সামরিক সরকারকে বিদ্রোহীদের ব্যাপারে নানা তথ্য দিতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা একটি শহুরে গেরিলা বাহানীর সদস্য ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টার মধ্য একজনের দুই আত্মীয়কে হত্যা করা হয়। সামরিক সরকার এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ডি নিয়েন লিন নামের ছাত্রনেতাকেও অভিযুক্ত করেছে।
মিয়ানমারে সম্প্রতি সামরিক সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সমর্থকদের হত্যা করছে গেরিলারা। গায়িকা কিয়াওয়ের হত্যাকাণ্ড এরই একটি।
কিয়াওয়ের ওপর হামলার চার দিন আগে মিয়ানমারের জাতীয়তাবাদী ও সামরিক সরকারের সমর্থক টিন্ট লিউইনকে ইয়াঙ্গুনের একটি চায়ের দোকানে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগে গত গ্রীষ্মে হামলার শিকারের পর থেকে তিনি পালিয়ে বেড়াতেন।
গায়িকা কিয়াওকে গত ৩০ মে ইয়াঙ্গুনের ইয়ানকিন টাউনশিপে তাঁর বাড়ির পাশে গুলি করে গেরিলারা। গুলির পর তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাই ধারণা করেছিল তিনি মারা গেছেন। কিন্তু পরে তাঁকে হাসপাতেলে নেওয়া হলে গত ৬ জুন তিনি কমায় চলে যান। তাঁর পরিবার বিবিসিকে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।
কিয়াওয়ের মৃত্যুতে মিয়ানমারের সামরিক সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একজন নিষ্পাপ নারীকে অমানবিকভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সামরিক সরকারের সমর্থক অন্য ১৭টি সংগঠনও এ ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে। মা বা থা নামের একটি জাতীয়তাবাদী বোড্ডিস্ট সংগঠন কড়া নিরাপত্তা দাবি করেছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, সীতামাড়ির ঝাঝিহাট গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রিতেশ কুমার (ডাকনাম গোলু) সকালে যখন কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল, সে সময় এক দ্রুত গতির পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় ওই ছাত্র। খবর পেয়ে রিতেশের পরিবার ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
২১ মিনিট আগে
কানাডা ও চীন বৈদ্যুতিক যান (ইভি) এবং ক্যানোলা (সরিষার মতো তেলবীজ) পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার চীন সফররত কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এ কথা জানিয়েছেন। দুই দেশই বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং নতুন কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর কড়া সমালোচক মাচাদো গত বছর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ আন্দোলনের জন্য এই পুরস্কার জিতেছিলেন। এখন তিনি সেই পদক হোয়াইট হাউসে রেখে গেলেন এই আশায়, এই সৌজন্যের বিনিময়ে হয়তো আরও মূল্যবান কিছু মিলবে।
২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সামরিক আইন (মার্শাল ল) ঘোষণা করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে