
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে একটি যৌথ আরব সামরিক বাহিনী গঠনের পুরোনো ধারণা। এটি অনেকটা ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ‘ন্যাটো’ বাহিনীর মতো। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বাস্তব রাজনৈতিক বিভাজন ও কৌশলগত মতপার্থক্যের কারণে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়া এখনো খুবই কঠিন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন, তখন থেকে বিশ্বজুড়ে এক চরম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। পেন্টাগন থেকে হোয়াইট হাউস—কোথাও ট্রাম্পের এই যুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য বা সময়সীমা নিয়ে স্পষ্ট কোনো উত্তর নেই। প্রশ্ন উঠেছে, ট্রাম্প কি আদৌ কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়

সাক্ষাৎকারে আরাগচির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলো শনাক্ত করতে রাশিয়া ইরানকে কোনো সহায়তা করছে কি না। এর জবাবে সরাসরি কোনো তথ্য না দিলেও তিনি দুই দেশের গভীর সম্পর্কের কথা পুনরায় উল্লেখ করেন।

আগামী সপ্তাহে চীনে অনুষ্ঠেয় বৃহত্তম বার্ষিক রাজনৈতিক সমাবেশ ‘টু সেশনস’-এর ঠিক আগ মুহূর্তে দেশটির আইনসভা থেকে ১৯ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে নয়জনই সামরিক বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা। চীনের শীর্ষ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) স্ট্যান্ডিং কমিটির পক্ষ...