
বর্তমান যুগ যুদ্ধের যুগ নয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাপকালে এমনই মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উজবেকিস্তানের বিখ্যাত নগরী সমরখন্দে স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার এই দুই নেতার বৈঠকের সময় মোদি এই মন্তব্য করেন। জবাবে পুতিন দ্রুত এই সংকট শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়েছে প্রায় ৯ মাস হলো। যুদ্ধের মধ্যেই উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংহাই কো–অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন চীন ও ভারতের মতো দেশগুলোর নেতারা। সম্মেলনের পাশাপাশি এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৈঠকে মোদি বলেন, ‘মহামান্য, আমি জানি আজকের এই সময় কোনোভাবেই যুদ্ধের সময় নয়।’ মোদির এই মন্তব্যের জবাবে পুতিন জানান, তিনি যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন সংকটের অবসান চান এবং তিনি এই বিষয়টি নিয়ে ভারতের উদ্বেগও বুঝতে পারেন। পুতিন বলেন, ‘আমি ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে আপনাদের অবস্থান বুঝতে পারি.... যত দ্রুত সম্ভব এই সংকট সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
সাংহাই কো–অপারেশন অর্গানাইজেশনের মূল সম্মেলনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের নেতা আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের বিষয়টির সমালোচনা করলেও ভারত পশ্চিমা বিশ্বের চাপ থাকার পরও রাশিয়ার সমালোচনা করেনি। বরং নয়া দিল্লি সব সময়ই সংলাপের মাধ্যমে সংকটের সমাধান চেয়েছে।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
২ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৪ ঘণ্টা আগে