Ajker Patrika

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাড়ে ৯ হাজার লোক সরিয়ে নিয়েছে ফিলিপাইন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ১৫ মে ২০২৬, ২০: ০০
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাড়ে ৯ হাজার লোক সরিয়ে নিয়েছে ফিলিপাইন
ছবি: দ্য ন্যাশনাল

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর গত দুই মাসে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ৯ হাজার ৫০০-এর বেশি ফিলিপিনোকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে ফিলিপাইন সরকার। সরকারি সহায়তায় পরিচালিত বিশেষ প্রত্যাবাসন ফ্লাইটের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব প্রবাসী দেশে ফেরেন।

ফিলিপাইনের অভিবাসী শ্রমিক বিষয়ক দপ্তরের সচিব হান্স লিও কাকদাক জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর উপসাগরীয় অঞ্চল, লেবানন ও ইসরায়েল থেকে বিপুলসংখ্যক ফিলিপিনো নাগরিক দেশে ফেরার আবেদন করেন। এর পর থেকে সরকার জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করে।

এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার ২১০ জন ফিলিপিনো নাগরিক সরকারি সহায়তায় দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার জন ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত। এ ছাড়া কুয়েত থেকে ২ হাজার ২৬৭ জন, সৌদি আরব ও কাতার থেকে ৯০০ জনের বেশি এবং বাহরাইন থেকে ৮৪৫ জন দেশে ফিরেছেন।

শুক্রবার (১৫ মে) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ‘দ্য ন্যাশনাল’ জানিয়েছে, কুয়েতে তিন দিনের সফর শেষে গত বৃহস্পতিবার বিশেষ কুয়েত এয়ারওয়েজ ফ্লাইটে ৩২০ জন ফিলিপিনো নাগরিককে নিয়ে বৃহস্পতিবার ম্যানিলায় ফেরেন কাকদাক। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ফেরার আবেদনের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। আগে যেখানে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের জন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে হতো, এখন তা কমে প্রায় ১ হাজার ২০০-তে নেমে এসেছে।’

প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে ফিলিপাইন সরকারকে। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের হামলার কারণে কুয়েত, বাহরাইনসহ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অনেক প্রবাসীকে সৌদি সীমান্ত পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা সড়কপথে ভ্রমণ করে যেতে হয়। সীমান্তে ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ভিসা ও ট্রানজিট নথির ব্যবস্থা করেন।

কাকদাক বলেন, ‘করোনা মহামারির চেয়েও এবারের পরিস্থিতি কঠিন ছিল। কারণ, তখন শুধু আকাশপথ খুলে যাওয়ার অপেক্ষা করতে হয়েছিল, কিন্তু এবার যুদ্ধের জরুরি পরিস্থিতিতে স্থলসীমান্ত ব্যবহার করে মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়েছে।’

ফিলিপাইন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলে বর্তমানে ২১ লাখের বেশি ফিলিপিনো বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন। যুদ্ধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ও হোটেল খাতে প্রভাব পড়লেও অধিকাংশ প্রবাসী ভবিষ্যতে আবারও উপসাগরীয় অঞ্চলে ফিরে এসে কাজ করতে চান। সরকার ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের জন্য আর্থিক সহায়তা, অস্থায়ী আবাসন ও পুনর্বাসন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও-এসি ল্যান্ড বদলি

কিশোরগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা না বাড়াতে উপসাগরীয় মিত্রদের সৌদির ‘গোপন বার্তা’

মার্কিন বাহিনীতে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ছিল না ইরানের: কংগ্রেসকে পেন্টাগন

ভুলবশত ৩টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে কুয়েত: মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত