Ajker Patrika

বিমানবন্দরে তল্লাশির পর ডা. জাহেদকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তিনি নিজেই ঢাকায় ফেরেন: ভারত

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৩ জুন ২০২৬, ২২: ৫০
বিমানবন্দরে তল্লাশির পর ডা. জাহেদকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তিনি নিজেই ঢাকায় ফেরেন: ভারত
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তল্লাশির পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় ফেরেন বলে দাবি করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক মহলে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৪ জুন একটি সাধারণ পাসপোর্ট ও সার্ক ভিসা নিয়ে ‘ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন’-এর সিনিয়র কর্মকর্তাদের ২৮তম বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে আসেন। নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাঁকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং বহুপক্ষীয় ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেন। তবে তিনি নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবীর প্রতিমা ও ছবি ভাঙচুরের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত।

এ বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে হিন্দু দেবতাদের প্রতিমা ও ছবি অবমাননার কিছু খবর দেখেছি, যা নিয়ে সেখানে বিক্ষোভও হয়েছে। ভারত আশা করে, বাংলাদেশ সরকার সেখানকার চরমপন্থীদের কঠোর হস্তে দমন করবে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত করবে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিরোধী কিছু মন্তব্যের জেরে জাহেদ উর রহমানের নাম ভারতের একটি ইমিগ্রেশন ওয়াচলিস্ট বা ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সেই তালিকা থেকে নাম বাদ না পড়ায় ইমিগ্রেশন সিস্টেমে অ্যালার্ট দেখায় এবং তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হয়।

এই ঘটনার পর ঢাকার পক্ষ থেকে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাধেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে প্রতিবাদ জানানো হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত