Ajker Patrika

নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান শুভ্র গ্রেপ্তার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৪ জুন ২০২৬, ০৯: ৩০
নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান শুভ্র গ্রেপ্তার
সাজেদুল ইসলাম শুভ্র। ছবি: সংগৃহীত

‎নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর বনানীর ডি-ব্লকের ১৫ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে শ্রম আদালতের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

সকালে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান।

‎মাহফুজুর রহমান বলেন, শ্রম আইনে দায়ের করা একটি মামলায় আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। সেই পরোয়ানা কার্যকর করতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‎

‎পুলিশ জানায়, শুভ্রকে গ্রেপ্তারের জন্য মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বনানীর ১৫ নম্বর সড়কের ৫৪ নম্বর বাড়িতে অভিযানে যায় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও বনানী থানা-পুলিশ। প্রথমে ভবনের গেটে তালা এবং নিরাপত্তাকর্মীরা অসহযোগিতা করায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি পুলিশ। এ সময় আসামি শুভ্রর গাড়িচালক ও দেহরক্ষী পুলিশের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণও করেন। পরে রাতভর অপেক্ষা করেন তাঁরা। সকালে ওই বাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। ‎

‎জানা যায়, নাভানা গ্রুপ ও আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের মালিকপক্ষের চারজন এবং প্রতিষ্ঠানের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে (মজুরি) মামলা দায়ের করেন কর্মী কফিল উদ্দিন। গত বছরের ৮ মে দেওয়া রায়ে আদালত বাদীর পাওনা প্রায় ২৩ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধ না করায় চলতি বছরের ৩ মে মামলার আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ‎

‎মামলার আসামিরা হলেন নাভানা গ্রুপের চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কামাল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক খালেদা ইসলাম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্র এবং প্রতিষ্ঠানের চার কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মিয়া, ফারজানা ইয়াসমিন, ইমরান বিন ফেরদৌস ও মোহাম্মদ মনিরুল আলম। ‎

‎মামলার বাদীপক্ষের দাবি, পরোয়ানা জারির পরও দেশে অবস্থানরত অধিকাংশ আসামিকে এত দিন গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পাওনা পরিশোধেও মালিকপক্ষ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ‎

‎এদিকে নাভানা গ্রুপের কয়েকজন কর্মকর্তা ও মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনিয়ম, কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধে ব্যর্থতা, অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ‎

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত