আল জাজিরা বিশ্লেষণ

সুইজারল্যান্ডে আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তি হলে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট ও বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করা যুদ্ধের অবসানে বৃহত্তর সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগের কথা সামনে এসেছে।
গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সিবিএস নিউজকে বলেন, চুক্তির সুবিধাগুলো ইরানের চুক্তি মেনে চলার ওপর নির্ভর করবে। দুই পক্ষ গত রোববার ডিজিটালি এ নথিতে সই করেছে।
৩০০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য আর্থিক প্রণোদনা আলোচনায় আসে মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের সমালোচনার কারণে। ট্রাম্প দাবি করে আসছিলেন, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি তেহরানকে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়েছিল।
রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া সামাল দিতে ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে—এ গল্প ভুয়া খবর।’ একই সময়ে ভ্যান্স সিবিএস নিউজকে বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র এই তহবিল দেবে না।
সিবিএসের সকালের অনুষ্ঠানে ভ্যান্স বলেন, ‘মানুষ যখন বলে যে কয়েক শ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছেড়ে দেওয়া হবে, সেটা সত্য নয়। সত্য হলো, এই চুক্তিতে তারা যে বাধ্যবাধকতা নিচ্ছে, তা পূরণ করলে ইরানের ভবিষ্যৎ অনেক ভালো এবং অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবে।’
৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল সম্পর্কে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, এই চুক্তি মূলত ইরানের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলছে, তারা যদি তাদের অঙ্গীকার রক্ষা করে এবং পারমাণবিক কর্মসূচিতে বাস্তব পরিদর্শনের সুযোগ দেয়, তাহলে তাদের বিশ্ব অর্থনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হবে।
ভ্যান্সের ভাষ্য, এ ধরনের সুযোগ ইরান পেতে পারে এবং তা উপসাগরীয় জোটের অর্থায়নে হতে পারে, যদি তেহরান চুক্তির নিজের অংশের বাধ্যবাধকতা মেনে চলে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সরাসরি এই তহবিলে ঢুকবে না, তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ইরান নতুন অবস্থান নিলে অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে।
নিউইয়র্ক টাইমস সূত্রের বরাতে জানায়, এ তহবিল সরকারগুলো দেবে না, বরং ইরানে বিনিয়োগে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর জন্য এটি গড়ে তোলা হবে।
মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো মুহান্নাদ সেলুম আল জাজিরাকে বলেন, এই ব্যবস্থা ওয়াশিংটনের জন্য ঝুঁকিহীন সমাধান। তাঁর ভাষায়, ইরান সংস্কার করলে প্রশাসন শান্তির কৃতিত্ব নেবে আর না করলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি নেই, ঝুঁকি বহন করবে উপসাগরীয় পক্ষ।
ইরানের জব্দ করা সম্পদের প্রসঙ্গে সেলুম বলেন, জব্দ করা তহবিল ছেড়ে দেওয়ার ভাবমূর্তি এড়াতেই বিনিয়োগ তহবিলের ধারণা আনা হয়েছে। ইরানের জব্দ করা সম্পদের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ স্পষ্ট নয়, তবে ইরানের সরকারি প্রতিবেদন ও বিশেষজ্ঞদের হিসাবে এর পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা, পরে পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ঘিরে বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত। এসব ব্যবস্থার কারণে তেহরান বিদেশি ব্যাংকে জব্দ হয়ে থাকা তেল বিক্রির আয়ের মতো নিজস্ব সম্পদে প্রবেশাধিকার হারিয়েছে।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির পর ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছিল। তবে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ২০১৮ সালে সেই চুক্তি বাতিল করেন। ওই চুক্তির অধীনে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিনিময়ে ইরানের ওপর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সীমা আরোপ করা হয়েছিল।
ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি গত রোববার জানায়, ১৪ দফার খসড়া সমঝোতা স্মারকে ইরানের ২৪ বিলিয়ন ডলারের জব্দ করা সম্পদ মুক্তির কথা রয়েছে। এ বিষয়ে সিবিএস নিউজের প্রশ্নে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স বলেন, ‘২৪ বিলিয়ন ডলারের অঙ্কটি ইরানিদের সঙ্গে আমরা যেসব নথি নিয়ে কথা বলেছি, তার কোথাও নেই।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যা বলেছি, তা হলো—সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে কথা বলতে প্রস্তুত আছি, কিন্তু আরও অনেক বড় বিষয় হচ্ছে, তাদের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া—যদি তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার করে।’
যুদ্ধে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে পড়া এবং ১৯৪২ সালের পর সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা ইরানের জন্য এ বিনিয়োগ তহবিল গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হতে পারে। তবে সেলুমের মতে, এর রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবি ততটা অনুকূল না-ও হতে পারে; এতে ‘মর্যাদার সংকট’ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, তেহরান এটিকে সার্বভৌম স্বস্তি হিসেবে নয়, বরং তদারকিভিত্তিক ও শর্তযুক্ত তহবিল হিসেবে দেখছে।
আগামী শুক্রবার চুক্তি স্বাক্ষরের পর আরও যেসব বিতর্কিত বিষয়ে আলোচনা হবে, তার একটি হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত প্রধান লক্ষ্যগুলোর একটি হচ্ছে ৪৪০ কেজির বেশি সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম মজুতসহ এ কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ কমানো। সমঝোতা স্মারকটি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়িয়েছে। এ সময়ে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম ইস্যু নিষ্পত্তি করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের আরও আলোচনা হওয়ার কথা।
জে ডি ভ্যান্স বলেন, তেহরান তার মজুত হস্তান্তর, নিয়মিত পরিদর্শন মেনে নেওয়া এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা কেনা থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়েছে। তবে সমঝোতা স্মারক পুরোপুরি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টিও বিরোধের একটি বড় দিক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি অবরোধের কারণে এ নৌপথ নিয়ে উত্তেজনা ছিল। ট্রাম্প গত রোববার চুক্তির ঘোষণা দিয়ে ‘তেল প্রবাহিত হতে দাও!’ লিখে এই জলপথ খোলার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন।
তবে সিএনবিসিকে জে ডি ভ্যান্স বলেন, প্রণালি নিয়ে সব অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। তাঁর ভাষায়, ‘আমাদের প্রত্যাশা হলো, দীর্ঘ মেয়াদে প্রণালিটি কোনো মাশুল ছাড়া খোলা থাকবে এবং আলোচনায় আমরা এ বিষয়গুলো নির্ধারণ করব।’
লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলাও নতুন টানাপোড়েনের কারণ হতে পারে। ইরান জোর দিয়ে বলছে, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে মিত্র দেশ লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইসরায়েল এখন পর্যন্ত এমন কোনো ব্যবস্থায় রাজি হয়নি। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ গত শুক্রবার বলেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলেও লেবাননে সামরিক অভিযান চলবে।
চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়াও মিশ্র। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, সমঝোতা স্মারকটি ইরানের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে, তবে তেহরান সব প্রয়োজন মেটাতে শুধু এ সুবিধার ওপর নির্ভর করবে না। প্রেস টিভির বরাতে গতকাল সোমবার তিনি বলেন, ‘বাধ্যবাধকতা অমান্য করা এবং চুক্তি ছিঁড়ে ফেলার ইতিহাস আমাদের আছে।’ তিনি জানান, শুক্রবার আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি থাকবে।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এখনো এ বিষয়ে মন্তব্য করেননি। কিছু ইরানি পর্যবেক্ষক ঘোষণার সময় নিয়ে আপত্তি তুলেছেন, কারণ, তা ট্রাম্পের জন্মদিনের সঙ্গে মিলে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের শুরুতে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রসঙ্গ টেনে রক্ষণশীল সাংবাদিক পারিসা নাসর এক্সে লেখেন, ‘শহীদ নেতার হত্যাকারীকে জন্মদিনের উপহার দেওয়াও কি চুক্তির অলিখিত শর্তগুলোর একটি ছিল?’
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইরানি জাতির অধিকারকে সম্মান করার বিষয়ে আমেরিকার প্রকৃত অঙ্গীকার বাস্তবে পরীক্ষা করে দেখার’ জন্য দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এ চুক্তি অনুমোদন করেছে।
ফ্রান্সে আজ মঙ্গলবার জি-সেভেন সম্মেলনে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তিটিকে ‘ন্যায্য’ ও ‘ভালো’ বলে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, এ চুক্তির আওতায় ইরান ‘পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না’, নইলে ‘তাদের উড়িয়ে দেওয়া হবে’।
সম্মেলনে উপস্থিত কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। তাঁর ভাষায়, ‘এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি। এখনো অনেক কাজ বাকি, কিন্তু এই গতি বজায় থাকলে আমার মনে হয়, আমরা এই অঞ্চলে বড় কিছু অর্জন করতে পারব।’
যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামানোর চুক্তিকে স্বাগত জানালেও এর শর্তাবলি প্রকাশের দাবি তুলেছেন। সিনেটর গ্রেগরি মিকস বলেন, ‘যেকোনো চূড়ান্ত চুক্তি টেকসই, প্রয়োগযোগ্য ও স্বচ্ছ হতে হবে’ এবং তা ‘অস্পষ্ট ঘোষণা বা রাজনৈতিক প্রচারণা’র বেশি কিছু হতে হবে।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম গত রোববার বলেন, তিনি চুক্তি নিয়ে ‘সন্তুষ্ট’, তবে একই সঙ্গে ‘কিছুটা উদ্বিগ্ন’, কারণ, চুক্তি সম্পর্কে ইরানের ব্যাখ্যা ও মার্কিন আলোচক দলের দাবি এক নয় বলে তাঁর মনে হচ্ছে।
মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের নন-রেসিডেন্ট সিনিয়র ফেলো মুহান্নাদ সেলুম বলেন, ভিন্ন ভিন্ন বয়ান প্রমাণ করে, দুই পক্ষ আসলে একে অপরের সঙ্গে কথা বলছে না। তাঁর মতে, তারা একে অপরকে পাশ কাটিয়ে নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ শ্রোতাদের সঙ্গে কথা বলছে। উভয় পক্ষকেই এটিকে বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করতে হচ্ছে, যা তারা সৎভাবে বিক্রি করতে পারছে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, লেবানন ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। এ সময় তিনি আরও বলেন, তিনি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কাজেই দেশটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং তার পরবর্তী আলোচনা দ্রুত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে তিনি আশা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছে তিন স্বাগতিক দেশের একটি যুক্তরাষ্ট্র। তবে জি৭ সম্মেলনে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতেই দেখা গেছে জার্মান ফুটবল টিমের জার্সি। তাতে ট্রাম্পের নাম লেখা। এর পর থেকেই গুঞ্জন উঠেছে, ফুটবলে ট্রাম্প কি তাহলে জার্মান সমর্থক?
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি রপ্তানি সচল রাখতে গোপনে বহু ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তর কার্যক্রম তদারকি করেছে। এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে আকাশ ও জলপথের ড্রোন, এমনকি হেলিকপ্টারও।
৮ ঘণ্টা আগে