পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মালির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কেনিয়েবার কাছে সেতু থেকে একটি বাস নদীতে পড়ে ডুবে গেলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে। বলা হয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাসটি মালির শহর কেনিয়েবা থেকে প্রতিবেশী বুরকিনা ফাসোয় যাওয়ার পথে বাগোই নদী পার হওয়ার সময় সেতু থেকে উল্টে যায়। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, গাড়ি নিয়ন্ত্রণে চালকের ব্যর্থতাকেই এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মালির পরিবহন মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, কেনিয়েবা থেকে বুরকিনা ফাসোর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি বাস সেতু থেকে ছিটকে পড়ে। সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে মালি ও পশ্চিম আফ্রিকার অন্যান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, মালিতে প্রধান প্রধান অনেক সড়কের অবস্থাই বেশ খারাপ। ভাঙাচোরা যানবাহনে বহন করা হয় অতিরিক্ত যাত্রী। দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে প্রায়ই। আর এর পেছনে দায়ী করা হয় দুর্নীতিতে ভরা দুর্বল পরিবহনব্যবস্থাকে। এ মাসের শুরুর দিকে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হন এবং ৪৬ জন আহত হয়েছিলেন।
জাতিসংঘের ২০২৩ সালের তথ্যানুসারে, আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বের যানবাহনের মাত্র ২ শতাংশ থাকা সত্ত্বেও বিশ্বের মোট সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর এক-চতুর্থাংশই ঘটে আফ্রিকায়।

কংগ্রেসে পাঠানো বিচার বিভাগের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, এসব নথি ২০ বছরের বেশি সময়জুড়ে বিভিন্ন মূল উৎস থেকে নেওয়া। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে মামলা, গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের বিচার, এপস্টেইনের মৃত্যুর তদন্ত এবং একাধিক এফবিআই তদন্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে গুতেরেস বলেছেন, ১৯৩টি সদস্য দেশের সবাইকে বাধ্যতামূলক চাঁদা পরিশোধ করতে হবে, তা না হলে আর্থিক নিয়মকাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। এ ছাড়া ধস ঠেকানো যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বিচার বিভাগের তথ্যমতে, বিএটির এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা উত্তর কোরিয়ার গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ৭১ হাজার ৬৬২ জন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নিহত হয়েছেন আরও ৪৮৮ জন।
৭ ঘণ্টা আগে