আমাদের শরীরের গঠনে প্রোটিন একটি বিশেষ উপাদান। রোগের সঙ্গে লড়াই করে শরীরে ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে এটি। সেই সঙ্গে পেশি ও হাড়ের বিকাশে এবং অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি করে মস্তিষ্ক সচল রাখে। কিন্তু এই প্রোটিন যদি প্রস্রাবের সঙ্গে মাত্রার অতিরিক্ত বের হয় তাহলে বুঝতে হবে শরীরে জটিল সমস্যা তৈরি হতে যাচ্ছে।
আকুপ্রেশার দিয়ে এই জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা এখন স্বীকার করছে যে এই সমস্যায় আকুপ্রেশার বেশ কার্যকর। নিয়মিত ট্রায়াল করে গবেষণা করা হয়েছে বিষয়টির।
প্রস্রাবে উচ্চ প্রোটিনের উপস্থিতি কিডনির সমস্যাসহ বিভিন্ন অসুস্থতার ইঙ্গিত হতে পারে। যখন আমাদের কিডনি সঠিকভাবে কাজ করে না, তখন প্রোটিন প্রস্রাবের মধ্য দিয়ে বের হতে পারে। এ কারণে এ অবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে প্রোটিনুরিয়া বা অ্যালবুমিনুরিয়া। প্রস্রাবে প্রোটিনের উপস্থিতি নির্দেশ করে আমাদের কিডনির অবস্থা কতটা খারাপ।
প্রস্রাবে প্রোটিন গেলে যা ঘটতে পারে
প্রোটিনুরিয়া দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ বা ক্রনিক কিডনি ডিজিসের (সিকেডি) সতর্কবার্তা দেয়। তবে সিকেডি থাকলে প্রস্রাবের স্বাভাবিক প্রোটিনেও এটি হতে পারে। সিকেডির কারণে কিডনির কার্যকারিতা ধীরে ধীরে কমে যায়। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণেও কিডনির সমস্যা হতে পারে। তবে শুধু প্রোটিনুরিয়া থেকে কিডনি সমস্যা নাও হতে পারে।
প্রোটিনুরিয়ার সাধারণ কারণ
এ ক্ষেত্রে প্রস্রাবের প্রোটিন পরীক্ষা প্রাথমিকভাবে কিডনি রোগ শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। এতে কিডনি রক্ষার জন্য সতর্ক হওয়া সম্ভব।
প্রস্রাবে প্রোটিনের লক্ষণ
কিডনি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা প্রোটিনের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকলে প্রস্রাবে এর কোনো উপসর্গ দেখা দেবে না। কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এবং প্রস্রাবে প্রচুর প্রোটিন থাকলে প্রোটিনুরিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
চিকিৎসা
প্রস্রাবে প্রোটিন উপস্থিতির সঠিক কারণ নির্ণয় প্রোটিনুরিয়া চিকিৎসার প্রথম ধাপ। প্রতিটি কারণের জন্য বিভিন্ন প্রতিকার প্রয়োজন। রোগীর ডায়াবেটিস থাকলে কিডনির পরীক্ষা, ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর–গ্লোমেরুলার ফিল্টারেশন রেট (প্রতি মিনিটে আপনার কিডনি কতটা রক্ত ফিল্টার করে তা পরিমাপ করে) পরীক্ষা করা জরুরি। তাতে জানা যাবে যে কিডনি কত ভাগ কাজ করছে।
আকুপ্রেশার
ছবিতে দেওয়া পায়ের গোড়ালির ওপর থেকে টাকনু পর্যন্ত রেখা দেওয়া পয়েন্টে হাতের বুড়ো আঙুল দিয়ে পুরো দাগের জায়গায় চাপ দিতে হবে। চাপ মোটামুটি একটু জোরে হবে। যাঁদের সমস্যা আছে, তাঁরা এই পয়েন্টগুলোতে ব্যথা অনুভব করবেন। ছবিতে পয়েন্ট করে দেখানো টি৬, টি৭ এবং টি৩ নামে আকুপ্রেশার পয়েন্টগুলোতে কম করে হলেও ১০০ বার করে চাপ দিতে হবে। দুই পায়েই একই স্থানে চাপদিতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাশতা খাওয়ার আগে এবং রাতে শোয়ার আগে অথবা খাবারের এক ঘণ্টা পরে আকুপ্রেশার করতে হবে। সপ্তাহে ছয় দিন আকুপ্রেশার করতে হবে।
আকুপ্রেশার এক মাস করার পর প্রোটিনুরিয়া টেস্ট করাতে হবে। তাতে যদি আগের চেয়ে প্রোটিন লিকেজ কমে, তাহলে এই পদ্ধতি
চালিয়ে যেতে হবে তিন মাস। এতে ভালো উপকার পাওয়া যায়। আকুপ্রেশারের সঙ্গে ওষুধের সম্পর্ক নেই। আপনি যদি কোনো ওষুধ খেয়ে থাকেন সেটা খাবেন। এই সমস্যায় খাদ্যবিধি মানা অত্যন্ত জরুরি।
পরামর্শ দিয়েছন: আলমগীর আলম খাদ্য পথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে...
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে গত পাঁচ মাসে হাম এবং এর উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে নয় শর বেশি মানুষ। মৃতদের বেশির ভাগ শিশু। হামের প্রকোপ ঠেকাতে নেওয়া বিশেষ কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও সংক্রমণ ও মৃত্যু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথমার্ধে মৃত্যু কমলেও...
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু নেই। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ২০ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে