রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।
সেহরি খাওয়ার পর অনেকের ঘুমানোর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ সময়ের প্রশান্তিদায়ক ঘুমের জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। সঠিক সময়ে ঘুম আর পরিমিত খাদ্যাভ্যাস আপনার সেহরিকে করবে আনন্দময় এবং পরবর্তী দিনটিকে করবে আরও সতেজ ও প্রাণবন্ত।
যা যা করবেন
তৈলাক্ত ও ভারী খাবার বাদ দিন: সেহরিতে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার পর বুকে জ্বালাপোড়া হতে পারে, যা আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাবে। তাই সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন।
পর্যাপ্ত পানি পান: একবারে অনেক বেশি পানি পান না করে অল্প অল্প পান করুন। আর ঘুমানোর ঠিক আগ মুহূর্তে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। তাতে ঘুমের মধ্যে বারবার প্রস্রাবের বেগে জেগে উঠতে হবে না।
বিছানায় যাওয়ার আগে: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত হাঁটাহাঁটি করুন। এতে খাবার হজম সহজ হবে এবং ঘুমের মান উন্নত হবে।
ঘরের পরিবেশ শান্ত রাখা: পুনরায় ঘুমানোর সময় ঘরের আলো কমিয়ে দিন এবং কোলাহলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ শিশুর। তাদের মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২০টি, বরিশালে ৫টি, চট্টগ্রামে ৪টি, রাজশাহীতে ৩টি এবং ময়মনসিংহে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে একটি শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি দুই শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬৬ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৬ জনের।
১ দিন আগে
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. শংকর কে দেখতে গিয়ে এ কথা জানান।
২ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি আট শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।
২ দিন আগে