রমজান মাস আমাদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সময় হলেও এই সময়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশের, বিশেষত চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। দীর্ঘ সময় সেহরি থেকে ইফতার পর্যন্ত পানাহার এবং ঘুমের অভাব আমাদের চোখের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তাই রমজানে চোখের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। চোখের যত্নে যা করতে হবে—
পর্যাপ্ত পানি পান
পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানি পান করা সম্ভব হয় না। তাই ইফতার ও সেহরির মধ্যবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পানি কম থাকলে চোখে শুষ্কতা, কষ্ট বা অস্বস্তি হতে পারে। সেহরি ও ইফতারের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করলে চোখে আর্দ্রতা বজায় থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
সঠিক খাবার খাওয়া
চোখের সঠিক যত্নে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেহরি ও ইফতারের সময় প্রচুর ফল, শাকসবজি, গাজর, পালংশাক, টমেটো ইত্যাদির মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। এগুলোর মধ্যে ভিটামিন এ, সি, ই থাকে। এসব ভিটামিন চোখের সঠিক কাজকর্মে সহায়তা করে এবং চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
পর্যাপ্ত ঘুম
রমজান মাসে অনেকে রাতে সেহরি খেয়ে ঘুমাতে গিয়ে রাতে ঘুম কমিয়ে দেন। কিন্তু এটি চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব চোখের শুষ্কতা, ক্লান্তি এবং লাল ভাব সৃষ্টি করতে পারে। প্রতি রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন, যাতে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
আই ড্রপ ব্যবহার
যেহেতু রোজায় দীর্ঘ সময় পানি পান করা সম্ভব নয়, তাই চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। এতে চোখে অস্বস্তি, জ্বালাপোড়া কিংবা চোখ লাল হয়ে যাওয়ার সমস্যা হয়ে যেতে পারে। সে কারণে আই ড্রপ ব্যবহার করলে চোখে আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং শুষ্কতা কমে। তবে আই ড্রপ ব্যবহারের করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
চোখে সানগ্লাস ব্যবহার
রমজান মাসে রোদের তাপে চোখের ওপর চাপ পড়তে পারে। এ কারণে চোখে জ্বালা, অস্বস্তি কিংবা দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বাইরে যাওয়ার সময় সানগ্লাস ব্যবহার করুন, যা চোখকে ইউভি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেবে এবং চোখের ক্ষতি প্রতিরোধ করবে।
কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহারে সতর্কতা
রমজান মাসে অনেকে দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এটি চোখের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। স্ক্রিনের দিকে তাকালে চোখে চাপ পড়তে পারে এবং চোখের মাংসপেশি ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে। সেহরি ও ইফতারের সময় স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে চোখের বিশ্রাম নেওয়া উচিত।
চোখ ধোয়া
ইফতার কিংবা সেহরির পর চোখ ধোয়া জরুরি। চোখে জমে থাকা ময়লা, ধুলা বা ব্যাকটেরিয়া অপসারণে চোখ ধোয়া কার্যকর। তা ছাড়া ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নিলে চোখে তাজা অনুভূতি আসে এবং চোখের ক্লান্তি কমে।
সঠিক হাইজিন বজায় রাখা
অস্বাস্থ্যকর হাত বা ময়লা জিনিস চোখে লাগলে চোখে সংক্রমণ হতে পারে। সেহরি বা ইফতারের পর চোখে হাত না দেওয়া এবং নিয়মিত হাত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চোখে লাগানো মেকআপ বা কসমেটিকসও পরবর্তী সময়ে চোখের ক্ষতি করতে পারে। তাই এসব ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
ঠান্ডা কাপড় বা আইস প্যাক ব্যবহার
চোখের চারপাশে কোনো ধরনের অবাঞ্ছিত আঘাত, ফোলা বা জ্বালা অনুভূত হলে ঠান্ডা কাপড় বা আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ঠান্ডা চাপ চোখের মাংসপেশি শিথিল করে এবং চোখের আরাম দেয়। তবে আইস প্যাক সরাসরি চোখে না লাগিয়ে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ব্যবহার করা উচিত।
চোখের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
রমজান মাসে চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে। তাই চোখের কোনো ধরনের সমস্যা যদি অনুভব করেন; যেমন অস্বস্তি, ঝাপসা দেখা বা চোখের ব্যথা, তাহলে একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে দ্রুততম সময়ে।
কনসালট্যান্ট (চক্ষু), দীন মোহাম্মদ আই হসপিটাল, সোবহানবাগ, ঢাকা

চিকিৎসকেরা এমন এক নতুন ক্যানসারবিরোধী ইনজেকশনের পরীক্ষা চালিয়েছেন, যা রোগীদের শরীরে থাকা সম্পূর্ণ টিউমারই নির্মূল করে দিতে পারে। গবেষকেরা এই পরীক্ষার ফলাফলকে ‘নজিরবিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত লাখ লাখ রোগী ভবিষ্যতে কেমোথেরাপি ছাড়াই নিরাপদে চিকিৎসা নিতে পারবেন বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। নতুন এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এমন একটি ডিএনএ-ভিত্তিক পরীক্ষা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা নির্ধারণ করতে পারে—কোন রোগী কেমোথেরাপি থেকে প্রকৃত উপকার পাবেন
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৩ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৫৩ জন।
২১ ঘণ্টা আগে
হামে মৃত্যু যেন থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৭৩২ জন।
২ দিন আগে