অটিজম চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে চীনের তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট। দেশটির প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ অটিজমে আক্রান্ত মানুষের জন্য এই প্রযুক্তি হতে পারে বড় ভরসা। মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম সিগন্যাল শনাক্ত করে কোনো অপারেশন ছাড়াই এই রোবট বুঝে নেয় শিশুর মনোযোগ ও প্রতিক্রিয়া।
সে অনুযায়ী নড়াচড়া ও যোগাযোগের মাধ্যমে শিশুদের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করে সেটি। এতে অটিজম শনাক্ত ও পুনর্বাসন আরও নির্ভুল এবং বিজ্ঞানসম্মত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হাসপাতাল ও রিহ্যাব সেন্টারে ব্যবহৃত এই রোবট ভবিষ্যতে স্ট্রোক ও স্নায়বিক রোগের পুনর্বাসনেও কাজে লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফুচিয়ান প্রদেশের ফুচৌ শহরের ফুচিয়ান অ্যাগ্রিকালচারাল আনদাইয়াস ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী ডিন খোং সিয়াংচেন বলেছেন, ‘এই রোবট ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি ও হিউম্যানয়েড রোবোটিকসের সমন্বয়ে তৈরি। এটি অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের প্রাথমিক স্ক্রিনিং করার পর নানা ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কাজ করতে শুরু করে।’
মাইন্ড-বেইজড ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে শিশুদের মনোযোগের মাত্রা ও মোটর ইমেজারিকে পরিমাপযোগ্য ডেটায় রূপান্তর করে রোবটটি। এতে স্ক্রিনিং হয় নির্ভুল এবং পুনর্বাসন হয় কার্যকর।
ইনস্টিটিউটের সহকারী গবেষক চাং চোংচি বলেন, ‘মস্তিষ্কের সংকেত মোবাইল ফোনের সংকেতের চেয়ে হাজার গুণ দুর্বল। তাই চোখের পলক এমনকি হৃৎস্পন্দনও এই সংকেতে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।’
চাং চোংচি বলেন, তাঁদের দল অস্ত্রোপচার ছাড়াই উচ্চ-নির্ভুল, নন-ইনভেসিভ ইইজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই দুর্বল সংকেত সংগ্রহ করে।
গবেষণা দলটি তাদের উদ্ভাবিত অ্যালগরিদমের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম ত্রুটি-বিচ্যুতি ফিল্টার করতে পারে। রোবটটি ইতিমধ্যে চীনের বিভিন্ন হাসপাতাল ও অটিজম পুনর্বাসন কেন্দ্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী ডিন খোং সিয়াংচেং জানান, কোনো শিশু যদি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর দিতে হিমশিম খায়, রোবট তাকে আরও নমনীয় এবং দ্রুততম উপায়ে সঠিক উত্তরের দিকে নির্দেশ করতে পারে। পাশাপাশি এটি থেরাপিস্টদের নির্ভুল বেসলাইন ডেটা সরবরাহ করে, যাতে তারা অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী ধাপের জন্য ব্যক্তিপর্যায়ের জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।
চীনের গবেষণা দলটি জানিয়েছে, এই হিউম্যানয়েড রোবট ভবিষ্যতে স্ট্রোক, মেরুদণ্ডের আঘাতসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসনেও সহায়তা করতে পারবে।
তথ্যসূত্র: সিএমজি, সিসিটিভি

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের পেছনের কারণ এবং হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মৃত্যুর ঘটনায় রাষ্ট্রের দায় রয়েছে এবং সেসব ঘটনার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
২০ ঘণ্টা আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশু নিশ্চিতভাবে হামে এবং ছয়জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫২ জনে।
১ দিন আগে
বিশ ও একুশ শতকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অকল্পনীয় উন্নতি সত্ত্বেও একটি সাধারণ অভ্যাস এখনো প্রাণ বাঁচানোর কার্যকরী হাতিয়ার হিসেবে স্বীকৃত। সেটি হলো ‘হাত ধোয়া’। ৫ মে ছিল ‘বিশ্ব হাত পরিচ্ছন্নতা দিবস’। ‘পদক্ষেপই জীবন বাঁচায়—নিরাপদ চিকিৎসা পরিচ্ছন্ন হাত থেকে শুরু হয়’ প্রতিপাদ্যে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিশ্ব....
১ দিন আগে
জন্মগত গ্লকোমা হলো এমন একটি চক্ষুরোগ, যা শিশুর জন্মের সময় বা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যে চোখের ভেতরের চাপ বাড়ার কারণে ঘটে। এটি বিরল রোগ। তবে চিকিৎসা ছাড়া তা স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি এবং অন্ধত্বের কারণ হতে পারে। জন্মগত গ্লকোমার মূল কারণ হলো চোখের অভ্যন্তরীণ তরল সঠিকভাবে নিষ্কাশিত না হওয়া, যা চোখের ভেতরের..
১ দিন আগে