
বেইজিং ই-টাউন হিউম্যানয়েড রোবট হাফ-ম্যারাথনে প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লেখা হয়ে গেল। প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক দৌড়ে একাধিক মানবসদৃশ রোবট মানব অ্যাথলেটদের পেছনে ফেলে এগিয়ে গেল। কেবল তাই–ই নয়, প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানও অধিকার করল।

একটা সময় ছিল, যখন রোবট ব্যবহার করা হতো শুধু কাজের গতি বাড়ানোর জন্য। কিন্তু ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে জাপানের জন্য এটি আর বিলাসিতা নয়, বরং শিল্পের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রধান হাতিয়ার। জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো, ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ফিজিক্যাল এআই খাতের ৩০ শতাংশ...

চীনে হিউম্যানয়েড রোবট প্রযুক্তি যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে অচিরেই বদলে যাবে জীবন ও কাজের ধরন। সাংহাইয়ে চীনা রোবট নির্মাতা এজিবট সম্প্রতি আয়োজন করে এক ব্যতিক্রমী ‘রোবট গালা’; যেখানে পুরো অনুষ্ঠানেই অংশ নেয় রোবটরা। তাতে দেখানো হয় রোবটের গতিনিয়ন্ত্রণ, কম্পিউটার ভিশন ও সৃজনশীলতার সক্ষমতা।

অটিজম চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা দেখাচ্ছে চীনের তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট। দেশটির প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ অটিজমে আক্রান্ত মানুষের জন্য এই প্রযুক্তি হতে পারে বড় ভরসা। মস্তিষ্কের সূক্ষ্ম সিগন্যাল শনাক্ত করে কোনো অপারেশন ছাড়াই এই রোবট বুঝে নেয় শিশুর মনোযোগ ও প্রতিক্রিয়া।