নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রমতে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭, রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ২০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪, খুলনা বিভাগে ১৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ ও রাজশাহী বিভাগে ৯ জন রয়েছে।
চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৫ হাজার ৭১০ রোগী। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৪১ দশমিক ১ শতাংশ নারী রয়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে জুলাই মাসে। ওই মাসে মোট ৪১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩ জন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম ১৫ দিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৬৮৪ জন হাসপাতালে এসেছে জুলাই মাসে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন এবং জুন মাসে ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ৭৩০ জন রোগী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৩৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
আজ শুক্রবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্রমতে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭, রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ২০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৪, খুলনা বিভাগে ১৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ ও রাজশাহী বিভাগে ৯ জন রয়েছে।
চলতি বছরের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ২৫ হাজার ৭১০ রোগী। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৪১ দশমিক ১ শতাংশ নারী রয়েছেন।
পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে জুলাই মাসে। ওই মাসে মোট ৪১ জনের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩ জন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম ১৫ দিনে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ হাজার ৬৮৪ জন হাসপাতালে এসেছে জুলাই মাসে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪, মার্চে ৩৩৬, এপ্রিলে ৭০১, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন এবং জুন মাসে ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪ হাজার ৭৩০ জন রোগী।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে