আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ঘুমের সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ) নামের সমস্যায় ভোগেন বিশ্বের বহু মানুষ। তবে নিয়মিত শঙ্খ বাজালে এ সমস্যা কমে যেতে পারে বলে দাবি করছেন গবেষকেরা।
ভারতের জয়পুরের ইটারনাল হার্ট কেয়ার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শঙ্খ বাজালে এই ঘুমের ব্যাধির লক্ষণ কমে যেতে পারে।
শাঁখ বা শঙ্খ বাজানো একটি প্রাচীন অনুশীলন। এতে গভীর শ্বাস নিয়ে শাঁখের মধ্যে ফুঁ দিতে হয়। এতে শরীরে কম্পন ও শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রতিরোধ তৈরি হয়, যা গলা ও মুখের পেশিগুলোকে মজবুত করতে সহায়তা করে। এ পেশিগুলোই সাধারণত ঘুমের সময় শিথিল হয়ে যায়, যার ফলে ওএসএ দেখা দেয়।
১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী ৩০ জন ওএসএ রোগীকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। তাঁদের মধ্যে অর্ধেককে শঙ্খ বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, আর বাকি অর্ধেককে শুধু গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের অনুশীলন করতে বলা হয়। উভয় দলকেই সপ্তাহে পাঁচ দিন, অন্তত ১৫ মিনিট করে এই চর্চা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করা হয়।
ছয় মাস পর দেখা যায়, যাঁরা শঙ্খ বাজিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দিনের বেলা ঘুমঘুম ভাব ৩৪ শতাংশ কমেছে। রাতের সময় তাঁদের রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়েছে এবং গড়ে প্রতি ঘণ্টায় চার থেকে পাঁচটি কম ওএসএ অ্যাপিসোড হয়েছে।
গবেষণা দলের প্রধান ডা. কৃষ্ণ কে শর্মা বলেন, ‘শঙ্খ বাজানো একটি সহজ, কম খরচের শ্বাসপ্রশ্বাসের পদ্ধতি, যা ওষুধ বা যন্ত্র ছাড়াই ঘুম উন্নত করতে এবং উপসর্গ কমাতে পারে।’
ওএসএ চিকিৎসার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি হলো সিপ্যাপ মেশিন, যেখানে রোগীদের ঘুমের সময় একটি মাস্ক পরতে হয়। এই মাস্কের মাধ্যমে নাক ও গলায় চাপযুক্ত বাতাস প্রবাহিত হয়, যা শ্বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখে। যদিও এটি কার্যকর, তবে অনেকের কাছে অস্বস্তিকর।
এর আগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁশির মতো বায়ুযন্ত্র বাজানোও ওএসএ উপশমে সহায়ক হতে পারে।
এই গবেষণার ফলাফলে নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। যুক্তরাজ্যের অ্যাজমাসহ লাং ইউকের গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রধান ডা. এরিকা কেনিংটন বলেন, ‘এই গবেষণার ফল আশাব্যঞ্জক হলেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনেক কম ছিল। তাই এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে শঙ্খ বাজানো সত্যিই ওএসএ উপশমে কার্যকর ভূমিকা রাখে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শঙ্খ বাজানো ঠিক কীভাবে উপসর্গ উপশম করে, তা এই গবেষণায় পরিষ্কার নয়। এ পদ্ধতি আরও বড় পরিসরে পরীক্ষা করে দেখা উচিত এবং এটি যেন প্রমাণিত অন্য কৌশলগুলোর (যেমন—অ্যালকোহল সীমিত করা, শরীরচর্চা ও নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস) সঙ্গে তুলনা করে দেখা হয়।’
ওএসএ একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা। তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে এর লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। গবেষক দল জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে, একাধিক হাসপাতালে নিয়ে এই গবেষণার পরবর্তী ধাপ শুরু করা হবে।

ঘুমের সময় শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ) নামের সমস্যায় ভোগেন বিশ্বের বহু মানুষ। তবে নিয়মিত শঙ্খ বাজালে এ সমস্যা কমে যেতে পারে বলে দাবি করছেন গবেষকেরা।
ভারতের জয়পুরের ইটারনাল হার্ট কেয়ার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত শঙ্খ বাজালে এই ঘুমের ব্যাধির লক্ষণ কমে যেতে পারে।
শাঁখ বা শঙ্খ বাজানো একটি প্রাচীন অনুশীলন। এতে গভীর শ্বাস নিয়ে শাঁখের মধ্যে ফুঁ দিতে হয়। এতে শরীরে কম্পন ও শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রতিরোধ তৈরি হয়, যা গলা ও মুখের পেশিগুলোকে মজবুত করতে সহায়তা করে। এ পেশিগুলোই সাধারণত ঘুমের সময় শিথিল হয়ে যায়, যার ফলে ওএসএ দেখা দেয়।
১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী ৩০ জন ওএসএ রোগীকে নিয়ে এই গবেষণা চালানো হয়। তাঁদের মধ্যে অর্ধেককে শঙ্খ বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, আর বাকি অর্ধেককে শুধু গভীর শ্বাসপ্রশ্বাসের অনুশীলন করতে বলা হয়। উভয় দলকেই সপ্তাহে পাঁচ দিন, অন্তত ১৫ মিনিট করে এই চর্চা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করা হয়।
ছয় মাস পর দেখা যায়, যাঁরা শঙ্খ বাজিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দিনের বেলা ঘুমঘুম ভাব ৩৪ শতাংশ কমেছে। রাতের সময় তাঁদের রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বেড়েছে এবং গড়ে প্রতি ঘণ্টায় চার থেকে পাঁচটি কম ওএসএ অ্যাপিসোড হয়েছে।
গবেষণা দলের প্রধান ডা. কৃষ্ণ কে শর্মা বলেন, ‘শঙ্খ বাজানো একটি সহজ, কম খরচের শ্বাসপ্রশ্বাসের পদ্ধতি, যা ওষুধ বা যন্ত্র ছাড়াই ঘুম উন্নত করতে এবং উপসর্গ কমাতে পারে।’
ওএসএ চিকিৎসার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি হলো সিপ্যাপ মেশিন, যেখানে রোগীদের ঘুমের সময় একটি মাস্ক পরতে হয়। এই মাস্কের মাধ্যমে নাক ও গলায় চাপযুক্ত বাতাস প্রবাহিত হয়, যা শ্বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখে। যদিও এটি কার্যকর, তবে অনেকের কাছে অস্বস্তিকর।
এর আগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁশির মতো বায়ুযন্ত্র বাজানোও ওএসএ উপশমে সহায়ক হতে পারে।
এই গবেষণার ফলাফলে নিয়ে কিছুটা সংশয় রয়েছে। যুক্তরাজ্যের অ্যাজমাসহ লাং ইউকের গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রধান ডা. এরিকা কেনিংটন বলেন, ‘এই গবেষণার ফল আশাব্যঞ্জক হলেও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনেক কম ছিল। তাই এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে শঙ্খ বাজানো সত্যিই ওএসএ উপশমে কার্যকর ভূমিকা রাখে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শঙ্খ বাজানো ঠিক কীভাবে উপসর্গ উপশম করে, তা এই গবেষণায় পরিষ্কার নয়। এ পদ্ধতি আরও বড় পরিসরে পরীক্ষা করে দেখা উচিত এবং এটি যেন প্রমাণিত অন্য কৌশলগুলোর (যেমন—অ্যালকোহল সীমিত করা, শরীরচর্চা ও নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস) সঙ্গে তুলনা করে দেখা হয়।’
ওএসএ একটি দীর্ঘমেয়াদি অবস্থা। তবে সঠিক চিকিৎসা ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে এর লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। গবেষক দল জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে, একাধিক হাসপাতালে নিয়ে এই গবেষণার পরবর্তী ধাপ শুরু করা হবে।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে