দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে এ সময়ে নতুন করে কোনো মৃত্যুকে হামজনিত হিসেবে নিশ্চিত করা হয়নি। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র প্রকাশিত নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক পাঁচটি মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব মৃত্যু ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর বিভাগে ঘটেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৩৬ জনে পৌঁছেছে। তবে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৩ জনে।
এই ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯৬৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৯ জনের সংক্রমণ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে। এ ছাড়া ৮৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ৭৮৪ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৪২৫ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে ৮৭ হাজার ২৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪১২ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রামে ১৮১, বরিশালে ১৩৭, সিলেটে ৯৪, খুলনায় ৪৫, ময়মনসিংহে ৪০, রাজশাহীতে ৩৮ ও রংপুরে ২১ জনের তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে।
এদিকে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর আওতায় টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতিমধ্যে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৭৭ হাজার ৬১৬ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এতে জাতীয় টিকাদান কভারেজ দাঁড়িয়েছে ১০৩ শতাংশে।

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
৭ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে