নতুন কোনো মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে বা জনসমক্ষে যেতে কি আপনার ভীষণ ভয় করে? কথা বলার সময় হাত-পা কি কেঁপে ওঠে কিংবা বুক ধড়ফড় করে? ‘সবাই হয়তো আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে’ অনেকের মনে সব সময় এই চিন্তা কাজ করে। অথবা অনেকে ভাবেন, অন্যরা তাকে বোকা ভাবছে। এটি শুধু সাধারণ লাজুকতা নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় সোশ্যাল এনজাইটি ডিসঅর্ডার বা সামাজিক ভীতি। বিশ্বের প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা অনেকটাই বেশি।
অনেকে নিজের এই ভয় লুকানোর জন্য কথা কম বলেন। কেউ কেউ স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকার ভান করেন কিংবা কোনো আড্ডায় গিয়ে এক কোণে চুপচাপ থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত স্মার্টফোনের ব্যবহার এবং ঘরের কোণে বন্দিজীবন এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর তিন ধরনের লক্ষণ আছে। সেগুলো হলো—
আচরণগত লক্ষণ: মানুষের সঙ্গে কথা বলতে ভয় পাওয়া, অন্যেরা ভুল ধরবে বা বিচার করবে—এই শঙ্কায় থাকা, জনসমক্ষে বা অপরিচিতদের আড্ডায় না যাওয়া এবং নতুন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে কথা জড়িয়ে যাওয়া।
শারীরিক লক্ষণ: মুখ লাল হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, হৃৎকম্প বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা পেট খারাপ হওয়া।
নিজের ওপর অতিরিক্ত নজরদারি বন্ধ করুন। আড্ডায় বা মিটিংয়ে নিজের রূপ বা ভুলের দিকে মনোযোগ না দিয়ে সামনের মানুষটির কথা বা চারপাশের পরিবেশের দিকে মনোযোগ দিন।
সেফটি বিহেভিয়ার ছাড়ুন। কথা বলার আগে প্রতিটি বাক্য মনে মনে বারবার রিহার্সাল করা বা চোখের দিকে না তাকিয়ে কথা বলা বন্ধ করতে হবে।
ভয়কে পরীক্ষা করে দেখুন। নিজের মধ্যে ছোট ছোট চ্যালেঞ্জ তৈরি করুন। যেমন কোনো মিটিং বা ক্লাসে একটি প্রশ্ন করুন বা কোনো নতুন মানুষকে ‘হ্যালো’ বলুন। আপনি যতটা খারাপ আশঙ্কা করেছিলেন, বাস্তবে তা ঘটে কি না মিলিয়ে দেখুন।
পরবর্তী বিশ্লেষণ বা আফসোস বন্ধ করুন। আড্ডা শেষ হওয়ার পর ‘আমি কি ভুল বললাম’—তা নিয়ে বারবার মনে মনে ভেবে নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সিবিটি বা থেরাপির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। মনে রাখা জরুরি, সামাজিক ভীতি কাটে ধীরে ধীরে। নিজেকে সময় দিন এবং সাহস রেখে ধাপে ধাপে সামাজিক যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
সূত্র: মায়ো ক্লিনিক, বিবিসি

অনেকে মনে করেন, প্রতিদিন পরিমাণমতো খাবার খেলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতির আশঙ্কা নেই। কিন্তু বাস্তবে পর্যাপ্ত খাবার ও ঘুমের পরও কিছু প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অপুষ্টিতে ভুগতে পারেন। কারণ, শুধু খাবারের পরিমাণ নয়, খাবারের গুণমান, শরীরে পুষ্টি শোষণের ক্ষমতা এবং বিভিন্ন রোগ পুষ্টির অবস্থাকে প্রভাবিত করে।
১ ঘণ্টা আগে
আমরা যখন ওজন কমাই বা মেদ ঝরাই, তখন শরীরে জমে থাকা চর্বিগুলো ঝরে যায়। কোথায় হাওয়া হয়ে যায় এগুলো। ঘাম হয়ে ঝরে পড়ে, নাকি মলমূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। আপাতদৃষ্টে বিষয়টি সাধারণ মনে হলেও এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের এক চমৎকার রসায়ন। আর এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করেছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম....
১ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫০ জনে।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। চারজনেরই মৃত্যু হয়েছে রাজধানী ঢাকায়। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে একজনের। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৪ জনে।
১৭ ঘণ্টা আগে