প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি ভাষণের অংশবিশেষ ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। শিরোনামে লেখা হচ্ছে, ‘ক্ষমতায় থেকে মানুষ হত্যার কথা মুখ ফসকে বলে দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়’। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই ভিডিও অন্তত ৫০০টি আইডি থেকে শেয়ার করা হয়েছে। দেখেছেন ও রিঅ্যাক্ট করেছেন লাখ লাখ মানুষ। মন্তব্য পড়ে বোঝা যায়, অনেকেই ভিডিওটিতে প্রচারিত বক্তব্য বিশ্বাস করছেন।
ফ্যাক্টচেক
১৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে—সজীব ওয়াজেদ জয় তাঁর বক্তব্যে বলছেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষ হত্যা করে, আর বিএনপি জামায়াত সুযোগ পেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।’ ভিডিওটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মীকে মঞ্চে বসে জয়ের বক্তব্য শুনতে দেখা যাচ্ছে।
আমরা রিভার্স সার্চ পদ্ধতিতে ভিডিওটির উৎস খুঁজে বের করি। টিবিএন২৪ নামের ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও খুঁজে পাই, যা ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর আপলোড করা হয়। ভিডিওটি ৫ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ বার দেখা হয়েছে। এই ভিডিওর ৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড থেকে ৫ মিনিট ৫২ সেকেন্ড সময়কালে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়, আর বিএনপি জামায়াত সুযোগ পেলে মানুষ হত্যা করে।’ ভিডিওটি দেখে পরিষ্কার বোঝা যায়, সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া খণ্ডিত ভিডিওটি এখান থেকেই নেওয়া। তবে এটি সম্পাদনা করে বিকৃত করা হয়েছে।
দৈনিক ইত্তেফাকের ২০১৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের শিরোনামে লেখা হয়, ‘বিএনপি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের দল; নিউইয়র্কে নাগরিক সংবর্ধনা সভায় শেখ হাসিনা’। ওই প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় ভিডিওটি ওই সভা থেকেই নেওয়া।
তবে ভিডিওর এই বিকৃতি সাম্প্রতিক নয়। ২০১৮ সালের ৩০ এপ্রিল ‘মেজর ডালিম’ নামের একটি ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছিল, যা ৬ লাখ মানুষ দেখেছিলেন এবং ২৬ হাজার মানুষ শেয়ার করেছিলেন।
সিদ্ধান্ত
সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৪ সালে নিউইয়র্কে শেখ হাসিনাকে দেওয়া এক নাগরিক সংবর্ধনায় বলেছিলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়, আর বিএনপি জামায়াত সুযোগ পেলে মানুষ হত্যা করে।’ ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পাদনা করে বিকৃত করা হয়েছে।


গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলার ভয়ে ইসরায়েলের জেরুজালেমে ‘গডকে লেখা চিঠি’ বা প্রার্থনার নোট সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। এমনকি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গভির নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে মার্কিন পুলিশ ভয়ে আজান দিতে শুরু করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এমন দাবি নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
৪ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ইরানে পাহাড়ের গুহায় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা রয়েছে। সেখানে পুরোদমে অস্ত্র তৈরির কাজ চলছে।
৪ দিন আগে