
দেশের গরিব বয়স্ক নারী-পুরুষ, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা এবং প্রতিবন্ধীদের মাসিক ভাতা দিয়ে আসছে সরকার। সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এসব ভাতা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দরিদ্র মায়েদের জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর।
সম্প্রতি এসব কর্মসূচিসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সব ধরনের উপবৃত্তি বন্ধ করা হয়েছে এমন দাবি করা হচ্ছে ফেসবুকে। গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) ‘কবীর চৌধুরী তন্ময় (Kabir Chowdhury Tanmoy)’ নামের একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এমন একটি পোস্ট করা হয়।
পোস্টটিতে দাবি করা হয়, ‘ছাত্রছাত্রীদের সব ধরনের উপবৃত্তি বন্ধ!...বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ অন্যান্য সব ভাতা আপাতত বন্ধ। এবার খুশি হইসেন তো...স্বাধীনতার প্রথম স্বাদ নিন। কোটা ছিল শুধুই ইস্যু—ভেতরে ছিল অন্য কিছু।’
দাবিটির উৎস অনুসন্ধানে দেখা যায়, অন্তত গত বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট আকারে দাবিটি প্রচার করা হচ্ছে। তবে পোস্টগুলোতে এসব ভাতা বন্ধের ব্যাপারে কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র উল্লেখ করা হয়নি।
প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানেও কোনো সংবাদমাধ্যমে এসব ভাতা বন্ধের নির্দেশনা নিয়ে কোনো প্রতিবেদন পায়নি আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ। সমাজসেবা অধিদপ্তর ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও এমন কোনো বিজ্ঞপ্তি বা নির্দেশনা নেই। ছাত্র-ছাত্রীদের সব ধরনের উপবৃত্তি বন্ধ করার দাবিটির পক্ষেও কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
পরে দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের বয়স্ক ভাতা শাখার অতিরিক্ত পরিচালক-১ ফরিদ আহমেদ মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ। তিনি বলেন, ‘এমন কোনো নির্দেশনা আমরা পায়নি। বয়স্ক ভাতাসহ কোনো ভাতাই বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সবগুলো ভাতাই চলমান।’
একই বিষয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (রেজিস্ট্রেশন ও জনসংযোগ) সৈয়দা রোকেয়া জেসমিনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। তিনি আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগকে বলেন, ‘এটি গুজব। কারণ, এটি তো একটা কর্মসূচি। এটার বাজেট আছে, এটা হঠাৎ বন্ধ করবে কেন?’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, একটি কক্ষে এক শিশু আরেক শিশুকে বারবার চড়, থাপ্পড় ও কামড় দিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এগিয়ে আসা তৃতীয় একটি শিশুও আক্রমণের শিকার হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
ছবিটি শেয়ার করে একটি এক্স অ্যাকাউন্টে আরবি ভাষায় দাবি করা হয়, ‘১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ আসরের একটি বিরল ছবি। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছি, কেউ কি বলতে পারবেন এই আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে কোন দুটি জাতীয় দল মুখোমুখি হয়েছিল? চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করুন এবং উত্তর বের করার চেষ্টা করুন।’
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ থেকে মানুষ অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ম্যাচ চলাকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আর্জেন্টিনার সমর্থনে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে