সম্পাদকীয়

যাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। মোটরসাইকেলের চালকদের ব্যাপারে এই অভিযোগ আনা হলেও এটা শুধু মোটরসাইকেল নয়, সব ধরনের বাহনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। রাজপথে যানবাহন চালানোর জন্য যে আইনকানুন রয়েছে, সেগুলো অমান্য করার প্রবণতার কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ে। বাস কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশা যেকোনো সময় লেন ভঙ্গ করে আকস্মিকভাবে অন্য লেনে চলে আসে—এ তো নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। ছোট ছোট ভ্যানগাড়ির গতি কম। কিন্তু তারা রাস্তার ডানদিক দিয়ে ধাবমান দ্রুতগতির গাড়ির চলার পথ রুদ্ধ করে রাখে। ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের সবাই যথাযথ আইন মেনে চলেন—এ রকম ভাবারও কোনো কারণ নেই। আর রিকশা? যন্ত্রযান আর অযান্ত্রিক যান একই রাস্তায় চলাচলের বিপদ যে কতটা, সেটা ভুক্তভোগীমাত্রই জানেন। আসলে রাজপথে বিশৃঙ্খলার জন্য আইন অমান্যকারী প্রতিটি যানবাহনকেই দায়ী করা যায়।
রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য মোটরসাইকেলের কথা আলাদাভাবে উঠে আসার কারণ আছে। যানজটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পথে সময় নষ্ট হয় বলে অনেকেই মোটরসাইকেল বা স্কুটি কিনতে আগ্রহী হয়েছেন। দুই চাকার এই বাহনের বড় সুবিধা হলো, অল্প একটু জায়গা পেলেই অন্য বাহনকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে আসা যায়, ফলে পথে সময় বাঁচে। কিন্তু এই সময় বাঁচানোর প্রক্রিয়াটি অন্য বাহনের চালকের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়।
মোটরসাইকেলচালকেরা যে যে কারণে রাজপথের দুর্ঘটনার জন্য হুমকিস্বরূপ, তার কয়েকটি হলো এ রকম: সীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে বাহন চালনা, অন্য বাহনকে কোনো রকম সতর্ক না করেই বাঁ দিক দিয়ে ওভারটেক করা, যেকোনো সময় লেন পরিবর্তন করা, উল্টো দিক দিয়ে বাহন চালনা। মোটরসাইকেলের চালকদের অনেকেই পথের প্রচলিত আইন সম্পর্কে না জেনেই দিব্যি চালিয়ে যেতে পারেন তাঁদের বাহন। এ কথা অবশ্য অন্যান্য বাহন সম্পর্কেও প্রযোজ্য। যান চালনার লাইসেন্স পাওয়ার ‘সহজ উপায়’ জেনে নিয়ে কখনো কখনো বাজে চালকও রাজপথ শাসন করেন, তাঁরাই হয়ে ওঠেন দুর্ঘটনার কারণ।
তবে ইদানীং ঢাকার বাইরেও সড়কপথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর অনেক বেশি শোনা যাচ্ছে। ওপরের কারণগুলো তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কারও নিজের মোটরসাইকেল থাকার সঙ্গে ক্ষমতারও সম্পর্ক রয়েছে। সেই ক্ষমতা দেখাতে গিয়েও কেউ কেউ দুর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন। আর একদল চালক আছেন, যাঁরা তারুণ্যকে উপভোগ করতে গিয়ে বেসামাল হয়ে দুর্ঘটনা ঘটান। কখনো অন্য কোনো বাহনের সঙ্গে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটান, কখনো বেসামাল হয়ে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অথবা পাশের খাদে পড়ে জীবন হারান।
এই সবকিছু থেকেই পরিত্রাণ মিলতে পারে, যদি আইন মান্য করে বাহন চালানো হয়। কিন্তু সে কথা মানবে কে?

যাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। মোটরসাইকেলের চালকদের ব্যাপারে এই অভিযোগ আনা হলেও এটা শুধু মোটরসাইকেল নয়, সব ধরনের বাহনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। রাজপথে যানবাহন চালানোর জন্য যে আইনকানুন রয়েছে, সেগুলো অমান্য করার প্রবণতার কারণেই দুর্ঘটনা বাড়ে। বাস কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশা যেকোনো সময় লেন ভঙ্গ করে আকস্মিকভাবে অন্য লেনে চলে আসে—এ তো নিত্যদিনের অভিজ্ঞতা। ছোট ছোট ভ্যানগাড়ির গতি কম। কিন্তু তারা রাস্তার ডানদিক দিয়ে ধাবমান দ্রুতগতির গাড়ির চলার পথ রুদ্ধ করে রাখে। ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের সবাই যথাযথ আইন মেনে চলেন—এ রকম ভাবারও কোনো কারণ নেই। আর রিকশা? যন্ত্রযান আর অযান্ত্রিক যান একই রাস্তায় চলাচলের বিপদ যে কতটা, সেটা ভুক্তভোগীমাত্রই জানেন। আসলে রাজপথে বিশৃঙ্খলার জন্য আইন অমান্যকারী প্রতিটি যানবাহনকেই দায়ী করা যায়।
রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য মোটরসাইকেলের কথা আলাদাভাবে উঠে আসার কারণ আছে। যানজটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পথে সময় নষ্ট হয় বলে অনেকেই মোটরসাইকেল বা স্কুটি কিনতে আগ্রহী হয়েছেন। দুই চাকার এই বাহনের বড় সুবিধা হলো, অল্প একটু জায়গা পেলেই অন্য বাহনকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে আসা যায়, ফলে পথে সময় বাঁচে। কিন্তু এই সময় বাঁচানোর প্রক্রিয়াটি অন্য বাহনের চালকের জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়।
মোটরসাইকেলচালকেরা যে যে কারণে রাজপথের দুর্ঘটনার জন্য হুমকিস্বরূপ, তার কয়েকটি হলো এ রকম: সীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে বাহন চালনা, অন্য বাহনকে কোনো রকম সতর্ক না করেই বাঁ দিক দিয়ে ওভারটেক করা, যেকোনো সময় লেন পরিবর্তন করা, উল্টো দিক দিয়ে বাহন চালনা। মোটরসাইকেলের চালকদের অনেকেই পথের প্রচলিত আইন সম্পর্কে না জেনেই দিব্যি চালিয়ে যেতে পারেন তাঁদের বাহন। এ কথা অবশ্য অন্যান্য বাহন সম্পর্কেও প্রযোজ্য। যান চালনার লাইসেন্স পাওয়ার ‘সহজ উপায়’ জেনে নিয়ে কখনো কখনো বাজে চালকও রাজপথ শাসন করেন, তাঁরাই হয়ে ওঠেন দুর্ঘটনার কারণ।
তবে ইদানীং ঢাকার বাইরেও সড়কপথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার খবর অনেক বেশি শোনা যাচ্ছে। ওপরের কারণগুলো তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কারও নিজের মোটরসাইকেল থাকার সঙ্গে ক্ষমতারও সম্পর্ক রয়েছে। সেই ক্ষমতা দেখাতে গিয়েও কেউ কেউ দুর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন। আর একদল চালক আছেন, যাঁরা তারুণ্যকে উপভোগ করতে গিয়ে বেসামাল হয়ে দুর্ঘটনা ঘটান। কখনো অন্য কোনো বাহনের সঙ্গে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটান, কখনো বেসামাল হয়ে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অথবা পাশের খাদে পড়ে জীবন হারান।
এই সবকিছু থেকেই পরিত্রাণ মিলতে পারে, যদি আইন মান্য করে বাহন চালানো হয়। কিন্তু সে কথা মানবে কে?

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫