
ঢাকা: ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে সম্মত হয় বিশ্ব নেতারা। গুরুত্বপূর্ণ এ চুক্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বদলে দেশে দেশে বিভিন্ন সাংঘর্ষিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় বরফের স্তর দ্রুত গলছে। ফলে পানির স্তর বাড়ছে, যা সমুদ্রের স্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
জার্মানির পোটসডাম জলবায়ুর প্রভাব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (পিআইকে) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার কিনারে চলে এসেছে।
ইউরোপের পিয়ার–রিভিউ জার্নাল ‘আর্থ সিস্টেম ডাইনামিকসে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে এ গবেষণার ধরন সম্পর্কে বলা হয়, এখানে একটি নতুন ধরনের জলবায়ু মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত মডেলগুলো অনেক জটিল এবং এসব ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার দরকার হয়। তা ছাড়া এসব মডেল অনেক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
তো এসব মডেলের বদলে আমাদের গবেষণায় এমন একটি মডেল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহৃত ৩ এম সিমুলেশনের কম্পিউটারগুলোর একেকটা সিস্টেম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিভিন্ন ধাপগুলো চিহ্নিত করা যায়।
গবেষণায় পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড, আটলান্টিকের উষ্ণ অঞ্চলের উপসাগরের স্রোত এবং আমাজন রেইনফরেস্টের বিভিন্ন বরফ স্তর ৩ এম কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের এক–তৃতীয়াংশের বরফে ডোমিনো ইফেক্ট পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, এখানকার সঞ্চিত বরফের একটা বড় অংশ দ্রুত গলছে, যা ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এটি মানব সভ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
নিজেদের গবেষণা সম্পর্কে পিআইকের অধ্যাপক রিকার্ডা ভিনকেলমান বলেন, ‘আমাদের গবেষণা কোনো পূর্বাভাস নয়, বরং এটা এক ধরনে ঝুঁকি বিশ্লেষণ।’
তবে গবেষণায় যা পাওয়া গেছে তা বেশ উদ্বেগজনক জানিয়ে এ অধ্যাপক বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। তবে এখনই যদি বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিতভাবে গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার দিকে আমাদের এ যাত্রা ঠেকানো গেলেও যেতে পারে।

ঢাকা: ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে সম্মত হয় বিশ্ব নেতারা। গুরুত্বপূর্ণ এ চুক্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বদলে দেশে দেশে বিভিন্ন সাংঘর্ষিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় বরফের স্তর দ্রুত গলছে। ফলে পানির স্তর বাড়ছে, যা সমুদ্রের স্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
জার্মানির পোটসডাম জলবায়ুর প্রভাব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (পিআইকে) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার কিনারে চলে এসেছে।
ইউরোপের পিয়ার–রিভিউ জার্নাল ‘আর্থ সিস্টেম ডাইনামিকসে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে এ গবেষণার ধরন সম্পর্কে বলা হয়, এখানে একটি নতুন ধরনের জলবায়ু মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত মডেলগুলো অনেক জটিল এবং এসব ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার দরকার হয়। তা ছাড়া এসব মডেল অনেক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
তো এসব মডেলের বদলে আমাদের গবেষণায় এমন একটি মডেল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহৃত ৩ এম সিমুলেশনের কম্পিউটারগুলোর একেকটা সিস্টেম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিভিন্ন ধাপগুলো চিহ্নিত করা যায়।
গবেষণায় পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড, আটলান্টিকের উষ্ণ অঞ্চলের উপসাগরের স্রোত এবং আমাজন রেইনফরেস্টের বিভিন্ন বরফ স্তর ৩ এম কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের এক–তৃতীয়াংশের বরফে ডোমিনো ইফেক্ট পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, এখানকার সঞ্চিত বরফের একটা বড় অংশ দ্রুত গলছে, যা ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এটি মানব সভ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
নিজেদের গবেষণা সম্পর্কে পিআইকের অধ্যাপক রিকার্ডা ভিনকেলমান বলেন, ‘আমাদের গবেষণা কোনো পূর্বাভাস নয়, বরং এটা এক ধরনে ঝুঁকি বিশ্লেষণ।’
তবে গবেষণায় যা পাওয়া গেছে তা বেশ উদ্বেগজনক জানিয়ে এ অধ্যাপক বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। তবে এখনই যদি বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিতভাবে গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার দিকে আমাদের এ যাত্রা ঠেকানো গেলেও যেতে পারে।

ঢাকা: ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে সম্মত হয় বিশ্ব নেতারা। গুরুত্বপূর্ণ এ চুক্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বদলে দেশে দেশে বিভিন্ন সাংঘর্ষিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় বরফের স্তর দ্রুত গলছে। ফলে পানির স্তর বাড়ছে, যা সমুদ্রের স্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
জার্মানির পোটসডাম জলবায়ুর প্রভাব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (পিআইকে) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার কিনারে চলে এসেছে।
ইউরোপের পিয়ার–রিভিউ জার্নাল ‘আর্থ সিস্টেম ডাইনামিকসে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে এ গবেষণার ধরন সম্পর্কে বলা হয়, এখানে একটি নতুন ধরনের জলবায়ু মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত মডেলগুলো অনেক জটিল এবং এসব ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার দরকার হয়। তা ছাড়া এসব মডেল অনেক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
তো এসব মডেলের বদলে আমাদের গবেষণায় এমন একটি মডেল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহৃত ৩ এম সিমুলেশনের কম্পিউটারগুলোর একেকটা সিস্টেম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিভিন্ন ধাপগুলো চিহ্নিত করা যায়।
গবেষণায় পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড, আটলান্টিকের উষ্ণ অঞ্চলের উপসাগরের স্রোত এবং আমাজন রেইনফরেস্টের বিভিন্ন বরফ স্তর ৩ এম কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের এক–তৃতীয়াংশের বরফে ডোমিনো ইফেক্ট পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, এখানকার সঞ্চিত বরফের একটা বড় অংশ দ্রুত গলছে, যা ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এটি মানব সভ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
নিজেদের গবেষণা সম্পর্কে পিআইকের অধ্যাপক রিকার্ডা ভিনকেলমান বলেন, ‘আমাদের গবেষণা কোনো পূর্বাভাস নয়, বরং এটা এক ধরনে ঝুঁকি বিশ্লেষণ।’
তবে গবেষণায় যা পাওয়া গেছে তা বেশ উদ্বেগজনক জানিয়ে এ অধ্যাপক বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। তবে এখনই যদি বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিতভাবে গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার দিকে আমাদের এ যাত্রা ঠেকানো গেলেও যেতে পারে।

ঢাকা: ২০১৫ সালে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে ক্ষতিকর গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে সম্মত হয় বিশ্ব নেতারা। গুরুত্বপূর্ণ এ চুক্তি সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বদলে দেশে দেশে বিভিন্ন সাংঘর্ষিক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ অবস্থায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ায় বরফের স্তর দ্রুত গলছে। ফলে পানির স্তর বাড়ছে, যা সমুদ্রের স্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
জার্মানির পোটসডাম জলবায়ুর প্রভাব গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (পিআইকে) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার কিনারে চলে এসেছে।
ইউরোপের পিয়ার–রিভিউ জার্নাল ‘আর্থ সিস্টেম ডাইনামিকসে’ প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে এ গবেষণার ধরন সম্পর্কে বলা হয়, এখানে একটি নতুন ধরনের জলবায়ু মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রচলিত মডেলগুলো অনেক জটিল এবং এসব ক্ষেত্রে অনেক বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার দরকার হয়। তা ছাড়া এসব মডেল অনেক ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
তো এসব মডেলের বদলে আমাদের গবেষণায় এমন একটি মডেল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহৃত ৩ এম সিমুলেশনের কম্পিউটারগুলোর একেকটা সিস্টেম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিভিন্ন ধাপগুলো চিহ্নিত করা যায়।
গবেষণায় পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড, আটলান্টিকের উষ্ণ অঞ্চলের উপসাগরের স্রোত এবং আমাজন রেইনফরেস্টের বিভিন্ন বরফ স্তর ৩ এম কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব অঞ্চলের এক–তৃতীয়াংশের বরফে ডোমিনো ইফেক্ট পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, এখানকার সঞ্চিত বরফের একটা বড় অংশ দ্রুত গলছে, যা ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এটি মানব সভ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
নিজেদের গবেষণা সম্পর্কে পিআইকের অধ্যাপক রিকার্ডা ভিনকেলমান বলেন, ‘আমাদের গবেষণা কোনো পূর্বাভাস নয়, বরং এটা এক ধরনে ঝুঁকি বিশ্লেষণ।’
তবে গবেষণায় যা পাওয়া গেছে তা বেশ উদ্বেগজনক জানিয়ে এ অধ্যাপক বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের হাতে বেশি সময় নেই। তবে এখনই যদি বৈশ্বিক পর্যায়ে সমন্বিতভাবে গুরুত্বসহকারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিপৎসীমার দিকে আমাদের এ যাত্রা ঠেকানো গেলেও যেতে পারে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
৩৩ মিনিট আগে
আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
১২ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু হয়ে ফার্মগেট-কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারা প্রদক্ষিণ করে বিজয় সরণি ও বিমান সিগন্যাল হয়ে আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পুলিশ যৌথভাবে কাজ করলে পরিবেশ দূষণ রোধ করা সহজ হবে। হর্নের বিরুদ্ধে এই মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে সেই যৌথ উদ্যোগের সূচনা হলো। তিনি বলেন, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ উদ্যোগী হলে শব্দদূষণ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আজকের এই শোভাযাত্রা থেকে শব্দদূষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ করে ড্রাইভারদের যে ম্যাসেজটা আমরা দিতে চাই তা হলো, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, সবাই মিলেই পরিবেশটাকে ঠিক করতে হবে।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি বলেন, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন কোনো অবস্থাতেই যেন আমদানি না হয়—সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানান, নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ট্রাফিক সার্জেন্টরা শব্দদূষণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক জরিমানা কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আরও জোরদার করা হবে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে বলেও তিনি জানান।
শোভাযাত্রায় ডিএমপির সুসজ্জিত মোটরসাইকেল, পিকআপ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যানবাহন সড়ক প্রদক্ষিণ করলে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ করতালির মাধ্যমে কর্মসূচিকে স্বাগত জানান। অনেক পথচারী শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০ দিনব্যাপী মোবাইল কোর্ট ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়, যা এই মোটর শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হলো। এ কার্যক্রমে ‘গ্রিন ভয়েসে’র তরুণ স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু হয়ে ফার্মগেট-কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারা প্রদক্ষিণ করে বিজয় সরণি ও বিমান সিগন্যাল হয়ে আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এবং প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পুলিশ যৌথভাবে কাজ করলে পরিবেশ দূষণ রোধ করা সহজ হবে। হর্নের বিরুদ্ধে এই মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে সেই যৌথ উদ্যোগের সূচনা হলো। তিনি বলেন, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ উদ্যোগী হলে শব্দদূষণ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আজকের এই শোভাযাত্রা থেকে শব্দদূষণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ করে ড্রাইভারদের যে ম্যাসেজটা আমরা দিতে চাই তা হলো, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, সবাই মিলেই পরিবেশটাকে ঠিক করতে হবে।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এনডিসি বলেন, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন কোনো অবস্থাতেই যেন আমদানি না হয়—সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানান, নতুন বিধিমালা কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ট্রাফিক সার্জেন্টরা শব্দদূষণের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক জরিমানা কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আরও জোরদার করা হবে। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে বলেও তিনি জানান।
শোভাযাত্রায় ডিএমপির সুসজ্জিত মোটরসাইকেল, পিকআপ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যানবাহন সড়ক প্রদক্ষিণ করলে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ করতালির মাধ্যমে কর্মসূচিকে স্বাগত জানান। অনেক পথচারী শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০ দিনব্যাপী মোবাইল কোর্ট ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়, যা এই মোটর শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হলো। এ কার্যক্রমে ‘গ্রিন ভয়েসে’র তরুণ স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করেন।

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা হয়ে পড়ছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমার ক
০৪ জুন ২০২১
আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
১২ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আজ শৈত্যপ্রবাহের কোনো পূর্বাভাস নেই। একাধিক এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। গতকাল শুক্রবার দেশের তিন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ সার্বিকভাবে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত এবং দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর জানান, আগামী ২১ জানুয়ারি (বুধবার) পর্যন্ত আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত উত্তর, উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম এবং নদী অববাহিকা ও তদসংলগ্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কুয়াশা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, এই সময়ে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (তাপামাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে।
এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা (২৫+২) ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে (১০+২) ডিগ্রি সেলসিয়াস ও দেশের অবশিষ্ট রাতের তাপমাত্রা (১৩+২) ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে বলে জানান এই আবহাওয়াবিদ।

আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আজ শৈত্যপ্রবাহের কোনো পূর্বাভাস নেই। একাধিক এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। গতকাল শুক্রবার দেশের তিন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ সার্বিকভাবে দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত এবং দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. রুবাঈয়্যাৎ কবীর জানান, আগামী ২১ জানুয়ারি (বুধবার) পর্যন্ত আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত উত্তর, উত্তর-পশ্চিম, পশ্চিম এবং নদী অববাহিকা ও তদসংলগ্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কুয়াশা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
তিনি আরও জানান, এই সময়ে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও পশ্চিমাঞ্চলের কোথাও কোথাও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (তাপামাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে।
এ সময়ে দিনের তাপমাত্রা (২৫+২) ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাতের তাপমাত্রা রংপুর, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে (১০+২) ডিগ্রি সেলসিয়াস ও দেশের অবশিষ্ট রাতের তাপমাত্রা (১৩+২) ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে বলে জানান এই আবহাওয়াবিদ।

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা হয়ে পড়ছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমার ক
০৪ জুন ২০২১
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
৩৩ মিনিট আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
১২ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকায় দেখা যায়, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ১২৭টি দেশের মধ্যে আজ ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আর শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি।
আইকিউএয়ারের সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ২৮৭, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের নির্দেশক।
আজ ঢাকার যেসব এলাকায় বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি—খিলক্ষেত, ধানমন্ডি, ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেচারাম দেউড়ি, বেজ এজওয়াটার আউটডোর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, গোড়ান, পেয়ারাবাগ রেললাইন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাররম বিল্ডিং। এর মধ্যে খিলক্ষেত, ধানমন্ডি ও ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বাতাসে দূষণের মাত্রা দুর্যোগপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২.৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২.৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক স্কোর ৩৮৪, যা দুর্যোগপূর্ণ বাতাসের নির্দেশক। শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো ভারতের কলকাতা (২০২), ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা (১৯২) ও চীনের চেংদু (১৯১।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকায় দেখা যায়, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ১২৭টি দেশের মধ্যে আজ ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আর শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি।
আইকিউএয়ারের সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ২৮৭, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের নির্দেশক।
আজ ঢাকার যেসব এলাকায় বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি—খিলক্ষেত, ধানমন্ডি, ইস্টার্ন হাউজিং, দক্ষিণ পল্লবী, বেচারাম দেউড়ি, বেজ এজওয়াটার আউটডোর, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, গোড়ান, পেয়ারাবাগ রেললাইন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোকাররম বিল্ডিং। এর মধ্যে খিলক্ষেত, ধানমন্ডি ও ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বাতাসে দূষণের মাত্রা দুর্যোগপূর্ণ।
ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২.৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২.৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলা এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।
আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেস্ক স্কোর ৩৮৪, যা দুর্যোগপূর্ণ বাতাসের নির্দেশক। শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো ভারতের কলকাতা (২০২), ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবা (১৯২) ও চীনের চেংদু (১৯১।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।
দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।
পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।
বাতাসের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়
অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।
সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।
যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।
ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা হয়ে পড়ছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমার ক
০৪ জুন ২০২১
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
৩৩ মিনিট আগে
আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে জানা যায়, আজ দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, এ সময় উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন:

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৭৬ শতাংশ।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে জানা যায়, আজ দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এ ছাড়া বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, এ সময় উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন:

বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমায় পৌঁছেছে। পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়ায় বরফ স্তর ও সমুদ্র স্রোতের স্বাভাবিক গতিপ্রবাহে অস্থিতিশীলতা হয়ে পড়ছে, যা ডোমিনো ইফেক্ট বা স্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ সীমার ক
০৪ জুন ২০২১
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যৌথ উদ্যোগে রাজধানীতে ‘হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে’র আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
৩৩ মিনিট আগে
আগামী বুধবারের মধ্যে দেশের একাধিক অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে
শীতের মৌসুমে বাতাস থাকে শুষ্ক। বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে দেখা যায় ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
১২ ঘণ্টা আগে