
জাপানের গবেষকেরা এমন এক বিরল প্রজাতির পিঁপড়া আবিষ্কার করেছেন, যাদের সবাই রানি। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের একটি ধারণাকে সত্য প্রমাণ করে নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ‘টেমনোথর্যাক্স কিনোমুরাই’ (Temnothorax kinomurai) নামক ওই পিঁপড়ার উপনিবেশে কোনো কর্মী পিঁপড়া বা পুরুষ সদস্য নেই। পুরো উপনিবেশই শুধু রানি পিঁপড়া দিয়ে গঠিত।
সাধারণত পিঁপড়ার কলোনিতে প্রজননক্ষম স্ত্রী পিঁপড়া বা রানি, অপ্রজননক্ষম কর্মী স্ত্রী পিঁপড়া এবং মিলনের পর অল্প সময়ের মধ্যে মারা যাওয়া পুরুষ পিঁপড়া থাকে। তবে প্রকৃতিতে কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়—কোথাও কর্মীবিহীন পরজীবী পিঁপড়া, কোথাও আবার পুরুষবিহীন কলোনি। কিন্তু একই সঙ্গে কর্মী ও পুরুষ—দুই পিঁপড়ারই সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি এত দিন প্রমাণিত হয়নি।
গবেষকেরা বহু বছর ধরে সন্দেহ করে আসছিলেন, ‘টেমনোথর্যাক্স কিনোমুরাই’ উপনিবেশ শুধু রানিই উৎপাদন করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রথমবারের মতো এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মিলেছে। ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞান সাময়িকী ‘কারেন্ট বায়োলজি’-তে।
এর আগে জানা গিয়েছিল, এই পরজীবী প্রজাতি তাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় প্রজাতি ‘টেমনোথর্যাক্স মাকোরা’–এর কর্মী পিঁপড়াদের প্ররোচিত করে নিজেদের রানিকে হত্যা করতে। পিঁপড়ার সমাজে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল; কারণ, কর্মী পিঁপড়ারা সারা জীবন রানির সেবা, খাদ্য সংগ্রহ, বাসা রক্ষা ও শাবকদের লালন-পালন করে।
নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আতিথ্য দেওয়া রানিকে সরিয়ে দেওয়ার পর ‘কিনোমুরাই’ পিঁপড়ারা নিষিক্তকরণ ছাড়াই ডিম পাড়ে এবং সেই ডিম থেকে ক্লোন বা জিনগতভাবে অভিন্ন নতুন রানি জন্ম নেয়। গবেষকেরা কিনোমুরাই পিঁপড়াদের ছয়টি কলোনি সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে লালন করেন এবং সেখানে ৪৩টি নতুন রানি জন্ম দিতে সক্ষম হন। নিবিড় পর্যবেক্ষণে সেখানে কোনো পুরুষ পিঁপড়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
অণুবীক্ষণযন্ত্রে পরীক্ষা করে দেখা যায়, রানিদের মিলন-সংক্রান্ত অঙ্গ ব্যবহৃত হয়নি—অর্থাৎ ডিমগুলো নিষিক্ত হয়নি। তবু সেগুলো পূর্ণাঙ্গ রানিতে পরিণত হয়েছে। একাধিক কলোনি ও জনসংখ্যা পর্যবেক্ষণের পর গবেষকেরা নিশ্চিত হন, প্রজাতিটি সম্পূর্ণরূপে কর্মী ও পুরুষবিহীন।
গবেষকেরা এখন খতিয়ে দেখতে চান, কোন পরিবেশগত বা বিবর্তনীয় পরিস্থিতিতে পিঁপড়ার মতো সামাজিক প্রাণীর উপনিবেশে কর্মী ও পুরুষের বিলুপ্তি ঘটতে পারে।

ফাল্গুন মাসের অর্ধেকও পার হয়নি। কিন্তু প্রতিদিনই সারা দেশে তাপমাত্রা বাড়ছে। ফাল্গুনের প্রথম দিকে সকালবেলায় প্রকৃতিতে কিছুটা শীতের অনুভূতি ছিল। দুপুরে বেশ গরম পড়ছিল। তবে দু-এক দিন ধরে সকালের তাপমাত্রাও বাড়তে শুরু করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুপুর পর্যন্ত আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে থাকবে। একই সঙ্গে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
শীত বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে তাপমাত্রা। আজ সোমবার দুপুরের পর আকাশ মেঘলা হলেও বৃষ্টি ঝরেনি। ফলে কমেনি গরম। তবে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকাল মঙ্গলবার দেশের দুই বিভাগে বৃষ্টি ঝরতে পারে। আগামী বুধবার বৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে। এরপর দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে স্বস্তি দিতে পারে।
১ দিন আগে
গত বছর পরিবেশ অধিদপ্তর এক পরিপত্রের মাধ্যমে ঢাকার সাভার এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে। দেশে প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরিপত্রে বলা হয়, বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫ অনুযায়ী, কোনো এলাকার বায়ুমান...
১ দিন আগে