
শরতের শুরু থেকেই সারা দেশে কম-বেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরই মধ্যে আজ দেশের ছয় বিভাগে ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তাসহ সারা দেশে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই সময়ে ১২ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও সকাল থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
শুধু তাই নয়, ভারী বর্ষণজনিত কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে।
এদিকে নদীবন্দরে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্রসহ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
সারা দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সকাল শুরু বৃষ্টি দিয়ে। সাধারণত বৃষ্টির কারণে বা বর্ষাকালে দূষণের মাত্রা কম থাকে। ঢাকার বাতাসে আজ দূষণের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের বায়ুমানের তালিকায় এ চিত্র দেখা যায়।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈশাখের প্রথম দিন দশেক প্রচণ্ড দাবদাহের পর গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে কালবৈশাখী। এর সঙ্গে ভারী বৃষ্টি। তবে বৃষ্টির দাপট সহজে কমছে না। আরও দু’দিন সারা দেশেই ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফলে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ও ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঝড়ে ফসলের খেত, ঘরবাড়িসহ গাছ উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আর বিদ্যুৎ না থাকায় বেশি দুর্ভোগে পড়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা। কেন্দ্রে তাদের মোমবাতি ও চার্জার লাইট জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হাওরাঞ্চলে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকায় হাজার হাজার হেক্টর জমির পাকা-কাঁচা বোরো ধান এখন পানির নিচে। কৃষকের চোখের সামনে ডুবে যাচ্ছে হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর ঋণের টাকায় বোনা স্বপ্ন।
১১ ঘণ্টা আগে